মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের উদ্যোগে গেজেট অনুমোদন পেল বরুড়ার তিন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক

 

মোঃআনজার শাহ

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে যুক্ত হলো আরও একটি উজ্জ্বল সাফল্যের অধ্যায়। বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপির আন্তরিক প্রচেষ্টা ও নিরলস উদ্যোগে পরিকল্পনা কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে বরুড়া উপজেলার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি থেকে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অধীনে জেলা মহাসড়ক হিসেবে হস্তান্তরের সরকারি অনুমোদন পেয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।

প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী, পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের স্ট্যান্ডিং কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের আলোকে কুমিল্লা জেলার তিনটি সড়ক সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তরের সুপারিশ চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এই প্রজ্ঞাপন বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশের তারিখ থেকেই কার্যকর হয়েছে।
গেজেটে অন্তর্ভুক্ত সড়কগুলোর মধ্যে রয়েছে সতেরো দশমিক পাঁচ শূন্য কিলোমিটার দীর্ঘ ফেনুয়া সরসতী মুরাদনগর জাঙ্গালিয়া মুকুন্দপুর কাটাগু নবরপুর সড়ক, চার দশমিক নয় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ আদামসার রামমোহন বাজার সংযোগ সড়ক এবং এক দশমিক দুই শূন্য কিলোমিটার দীর্ঘ রাজাপুর বটতলা পুরান কদবা সংযোগ সড়ক। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব সড়ক এখন থেকে জেলা মহাসড়ক হিসেবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত হবে, যার ফলে সড়কগুলোর উন্নয়ন, প্রশস্তকরণ, আধুনিকায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের পথ আরও সুগম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অনুমোদনের পর খুব শিগগিরই এসব সড়কের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ শুরু হবে। বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে বরুড়া উপজেলার সঙ্গে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকার যোগাযোগ হবে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ। একই সঙ্গে কৃষি, ব্যবসা বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা।
এই সাফল্যের পেছনে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপির ধারাবাহিক তদবির, আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে স্থানীয় জনগণ অভিমত প্রকাশ করেছেন। বরুড়ার অবকাঠামোগত উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে স্থানীয় বাসিন্দারা গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আশা, বর্তমান উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকলে বরুড়া খুব শিগগিরই একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও উন্নত যোগাযোগ অবকাঠামোসমৃদ্ধ উপজেলায় পরিণত হবে। স্থানীয়দের ভাষায়, উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা শুধু বরুড়ার যোগাযোগ ব্যবস্থাকেই শক্তিশালী করবে না, বরং কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাঁরা মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করেন, জনকল্যাণে নেওয়া সকল উদ্যোগ যেন সফল হয় এবং দেশের উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *