Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
ময়মনসিংহ ধোবাউড়ায় মঞ্জুরুল হক হত্যা মামলার বাদী আসামি গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

ময়মনসিংহ ধোবাউড়ায় মঞ্জুরুল হক হত্যা মামলার বাদী আসামি গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন

মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠানঃ

ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের রাউতি গ্রামের মোঃ আব্দুল মোতালেবের ছেলে মোঃ মঞ্জুরুল হকের হত্যা মামলার বাদী আসামি গ্রেফতারের জন্য প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

সূত্রে জানা যায়, ২৪/০৩/২০২৬ ইং তারিখ বিকেলে তিনি উষান বাজারে যান এবং ছায়েদুল ইসলাম ওরফে হাইদুলের বাড়ি থেকে ঠেলাগাড়ি আনার জন্য সেখানে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একই গ্রামের মৃত সুরুজ খাঁর ছেলে আবুল কাশেম খাঁসহ তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিতভাবে আক্রমণ করে। এ সময় মঞ্জুরুল হক গুরুতর আহত হন।

আহত ব্যক্তির চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে হামলাকারীদের কবল থেকে তাকে উদ্ধার করে। ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানকার চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার নিটোর হাসপাতালে রেফার করেন। পরে সেখান থেকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুনরায় চিকিৎসা শেষে তাকে আবার ঢাকা নিটোর হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতের লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৃতের আপন ভাই মোঃ নূরুল হক বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মোঃ আবুল কাশেম খাঁসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬/৭ জনকে আসামি করা হয়।

এদিকে হত্যা মামলার ১১ নম্বর আসামি ইমান আলীকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ধোবাউড়া থানার মামলা নং- ৮/২৬, ধারা ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩৪২/৩০৭/৩০২/১১৪/৫০৬(২)/৩৪, পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী রুজু করা হয়।

অন্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি থানা পুলিশ। এ ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে সরেজমিনে গেলে গ্রামবাসী ও এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে আসামিরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

তারা প্রশাসনের কাছে দাবি জানান, আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

এ বিষয়ে বক্তব্য প্রদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ সবুজ খান, মাওলানা তোফাজ্জুল হক, রুস্তম আলী, মাওলানা জামাল উদ্দিন, মোঃ উসেন আলী, মাওলানা শরিকুল হাসান, মোঃ সবুজ মিয়া, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ মোতালিব, মাওলানা হাসেন আলী, মোঃ নজরুল ইসলাম নয়ন, মোছাঃ সুবেরা খাতুন, হালিমা আক্তার, খোদেজা আক্তার, রাহিমা খাতুন, সুফিয়া খাতুন, ফাতেমা খাতুনসহ আরও অনেকে।

প্রকাশ থাকে যে, উল্লেখিত হত্যার ঘটনার কিছুক্ষণ আগে উক্ত স্থানে একটি মহিলাকে নিয়ে গ্রাম্য সালিস বৈঠক বসে। ওই বৈঠক শেষ করে মাতব্বরগণ চলে যাওয়ার পরপরই এই ঘটনাটি ঘটে।

চলবে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *