রাজৈর বাজিতপুরের চার প্রবাসীর বাবা সেলিম সরদারের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপবাদ প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

রকিবুল হাসান (বাবুল):

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের সাধুরব্রীজের সেলিম সরদারের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রায় ২০ বছর ধরে বিপক্ষ দলের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। অতঃপর মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে সেলিম সরদার তার ন্যায্য জমি বুঝে পান।

এরপর এলাকাবাসীর অনুরোধে সেলিম সরদার স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে বিরোধীদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব দ্বিগুণ বেড়ে যায়। সেলিম সরদারের বিরুদ্ধে বিরোধীরা মানবপাচারসহ বিভিন্ন মিথ্যা অপবাদ প্রচার করে, যাতে তার জনপ্রিয়তা কমে যায়। এছাড়া নির্বাচন না করার জন্য বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হয়।

যেমন, ৪/৫ বছর আগে সেলিম সরদার তার ছেলে ও শ্যালকের ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য মোস্তফাপুরের মানবপাচারের দালাল খোকন চোকদারের কাছে টাকা দেন। এর আগে সেলিম সরদারের মেজো ছেলে রাজিব সরদারকেও একই দালালের মাধ্যমে অল্প দিনের মধ্যে মাল্টা পাঠানো হয়।

তার দেখাদেখি স্থানীয় আরও ২/৩ জন লোক খোকন চোকদার নামের ওই দালালের কাছে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দেন। যার সঙ্গে সেলিম সরদার ও তার পরিবারের লেনদেন জড়িত না থাকায় কোনো উল্লেখযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

পক্ষান্তরে, সেলিম সরদারসহ প্রত্যেক ব্যক্তিকে মোস্তফাপুরের দালাল খোকন চোকদার একটি করে চেক লিখে দেন। কিছুদিন পর মোস্তফাপুরের খোকন চোকদার সেলিম সরদারসহ সকলের টাকা নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। আজ পর্যন্ত কারও টাকাই ফেরত পাওয়া যায়নি। সেলিম সরদার নিজেও ভুক্তভোগী। কিন্তু এর জন্য বিরোধী পক্ষ সেলিম সরদারকে দোষারোপ করে।

এবং মানবপাচারের একটি অভিযোগ প্রচার করে। এতে তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলন শেষে সাধুরব্রীজ বাসস্ট্যান্ডের নিকটবর্তী স্থানীয় কয়েকজনের কাছে সেলিম সরদারের বিরুদ্ধে আনা মানবপাচারের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা প্রত্যেকে অভিযোগটি মিথ্যা বলে জানান। সেলিম সরদারের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগকারী উত্তমের একটি বক্তব্যও সাংবাদিকদের কাছে আসে। উক্ত বক্তব্যে সেলিম সরদার নির্দোষ—তা ফুটে উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *