Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
৭ বছরের রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা: শোকাহত পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

৭ বছরের রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা: শোকাহত পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

 

মোঃআনজার শাহ :

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় মাত্র সাত বছর বয়সী নিষ্পাপ শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় শোকে মুহ্যমান গোটা দেশ। এই বর্বর ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিবেকবান মানুষের বুকে জমে উঠেছে ক্ষোভ আর বেদনার পাথর। সেই শোক ও ক্ষোভের মাঝে আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে ২০২৬) রাতে ছোট্ট রামিসার পল্লবীর বাসায় ছুটে গেলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শোকে বিধ্বস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করলেন, সমবেদনা জানালেন এবং দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার দৃঢ় আশ্বাস দিলেন।

যা ঘটেছিল পল্লবীতে,

ঢাকার মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অবুঝ এই শিশুটির জীবন এভাবে অকালে ঝরে যাওয়ার ঘটনায় সারা দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথ  সর্বত্র বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে মানুষ।

শোকাহত পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী,

আজ রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি রামিসার বাসায় উপস্থিত হন। শোকে পাথর হয়ে যাওয়া পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানান। এই মর্মান্তিক ঘটনায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শোক ও উদ্বেগ প্রকাশের এই দৃশ্য পরিবারটিকে কিছুটা হলেও মানসিক সান্ত্বনা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করেন যে, এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুততার সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে এবং ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা হবে।

দেশজুড়ে বিচারের দাবি,

রামিসার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সারা দেশের বিবেকবান মানুষের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। শিশু অধিকারকর্মী, নারী সংগঠন, সুশীল সমাজসহ সর্বস্তরের মানুষ দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাজারো মানুষ রামিসার জন্য ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন।

শিশু সুরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের বর্বর ঘটনা বারবার ঘটে চলার পেছনে রয়েছে দীর্ঘসূত্রী বিচারপ্রক্রিয়া এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত না হওয়ার সংস্কৃতি। তাঁরা দাবি জানাচ্ছেন, শুধু আশ্বাস নয়,  দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো রামিসাকে এভাবে অকালে ঝরে যেতে না হয়।

এক নিষ্পাপ শিশুর অসমাপ্ত জীবন,

রামিসা আক্তার। মাত্র সাত বছর বয়স। যে বয়সে শিশুরা স্কুলের বইয়ের পাতায় স্বপ্নের রঙ আঁকে, বন্ধুদের সঙ্গে খেলার মাঠে ছুটে বেড়ায়, মায়ের আঁচলে মুখ লুকিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমায় সেই বয়সে এই নিষ্পাপ শিশুটির জীবন থেমে গেল পাশবিক নৃশংসতার শিকার হয়ে। তার এই অকালমৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, গোটা জাতির বুকে এঁকে দিয়ে গেছে এক অমোচনীয় ক্ষতের দাগ।

রাষ্ট্রের দায় ও জনগণের প্রত্যাশা,

প্রধানমন্ত্রীর এই সফর রাষ্ট্রের মানবিক দায়িত্ববোধের প্রতিফলন হলেও দেশের মানুষ এখন একটাই প্রশ্ন করছেন,  কবে থামবে এই নৃশংসতা? কবে শিশুরা নিরাপদ হবে নিজের আশপাশে? কবে প্রতিটি অপরাধীকে দ্রুত ও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করা হবে?

রামিসার পরিবার এবং দেশের কোটি মানুষ এখন একটাই প্রত্যাশায় বুক বেঁধে আছেন ,এই জঘন্য অপরাধের বিচার হোক দ্রুত, হোক দৃষ্টান্তমূলক। যেন আর কোনো শিশুকে এভাবে অকালে জীবন দিতে না হয়। যেন রামিসার মতো আর কোনো নিষ্পাপ শিশুর স্বপ্ন এভাবে চিরতরে নিভে না যায়।

ছোট্ট রামিসার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি। তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *