অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্টের সম্পাদককে প্রাণনাশ ও হামলার হুমকি: দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থার দাবি

প্রেস রিলিজ:
গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার কুঞ্জ মহিপুর দ্বি-মুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংক্রান্ত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট, প্রতিদিনের কণ্ঠস্বর, আগামীর বাংলা এবং বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্টের সম্পাদক এম এ মমিন আনসারীকে প্রাণনাশ ও হামলার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আসাদুজ্জামান টেলিফোনে সম্পাদক এম এ মমিন আনসারীকে গাইবান্ধায় গেলে “দেখে নেওয়া হবে” বলে হুমকি দেন। একই সঙ্গে তিনি নিজেকে স্থানীয় বিএনপির একজন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন এবং তার ছেলে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতা বলে উল্লেখ করেন। এসব বক্তব্য একজন অনুসন্ধানী সাংবাদিককে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা হিসেবে প্রতীয়মান হয়।

উল্লেখ্য, হুমকিমূলক টেলিফোন আলাপের কল রেকর্ড সংরক্ষিত রয়েছে, যা প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তদন্তকারী সংস্থার কাছে উপস্থাপন করা হবে।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কোনো সংবাদে কারও আপত্তি থাকলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রতিবাদ, ব্যাখ্যা বা আদালতের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু হুমকি, ভয়ভীতি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাব দেখিয়ে সাংবাদিকদের সত্য অনুসন্ধান থেকে বিরত রাখার চেষ্টা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী।

আমরা বাংলাদেশ সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থা, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এবং দেশের সকল সাংবাদিক সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সম্পাদক এম এ মমিন আনসারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

জাতীয় সাপ্তাহিক তদন্ত রিপোর্ট দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করছে—সত্য, জনস্বার্থ ও জবাবদিহিতার পক্ষে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কোনো হুমকি, ভয়ভীতি বা প্রভাবের কাছে মাথানত করবে না। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *