- কামরুল
দীর্ঘ দিন ধরে আনোয়ারা থানা এলাকায় ব্যাপক ভাবে টোকেন বানিজ্য করে আসছিল আনোয়ারা থানার টি আই আজাদ আনোয়ারা থেকে এই ঘুষখোর আজাদ কে কয়েকবার অভিযোগের ভিত্তিতে বদলি করা হলে ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও উপরস্থ মহলের কাছে তদবির করে বদলি ঠেকিয়ে আনোয়ারা থানায় রয়ে যায়। তিনি আনোয়ারা থানা এলাকায় চলাচল রত যানবাহন গুলো থেকে মাসে দশ লক্ষ টাকার মত আয় করত সিএনজি ও বিভিন্ন অবৈধ পরিবহন থেকে টোকেন বানিজ্যের মধ্যে দিয়ে এই আই করেন। তিনি এই অর্থ থেকে উপরস্থ মহলের কাছে একাংশ টাকা পাঠানো হত। অবশেষে ১মাস পূর্বে আজাদ কে আবার ও বদলি করা হয়েছে এইবার ও তিনি বদলি হওয়ার পর ও বিভিন্ন নাটকের মধ্য দিয়ে একমাস অতিবাহিত করার পর ও শেষ রক্ষা হয়নি। সে বিদায় হওয়ার পর দোহাজারী থেকে আনোয়ারা থানায় যোগদান করেন আরেক ঘুষখোর সার্জেন্ট মোজাম্মেল তার বিরুদ্ধে ও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তিনি দোহাজারী থাকা কালীন সময়ে লক্ষ লক্ষ টাকার ঘুষ বাণিজ্য করার অভিযোগ রয়েছে তিনি বিভিন্ন গাড়ি চালক ও কোম্পানির কাছে ঘুষখোর সার্জেন্ট মোজাম্মেল হিসেবে পরিচিত চন্দনাইশ ১৪ এর সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন চৌধুরী চন্দনাইশ, দোহাজারী এলাকায় টোকেন বানিজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পর এই ঘুষখোর মোজাম্মেল বিভিন্ন তদবির করে দোহাজারী থেকে আনোয়ারা বদলি হয় এবং পূর্বের মত আবারো ঘুষ বাণিজ্য শুরু করে। এই বিষয়ে আনোয়ারা থানার পরিবহন শ্রমিক ও মালিক পক্ষ বলেন টি আই আজদ অনেক ভালো ছিল কিন্তু মোজাম্মেল আশার পর থেকে চালক ও কোম্পানিরা আরো বেশি নির্যাতিত হচ্ছে এই বিষয়ে যোগাযোগ মন্ত্রী ও শরাষ্ট মন্ত্রী ও পুলিশের উপরস্থ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এই বিষয়ে টি আই আজাদের সাথে কথা বলতে উনার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে আজাদ মোবাইল রিসিভ করেননি এবং মোজাম্মেল বলেন এই সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা ।