ঈদগাঁও থানার ওসি শীফাতকে ঘিরে অপপ্রচারের অভিযোগ

কামরুল ইসলাম:

কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানাকে কেন্দ্র করে এক নারী কর্তৃক আনীত অভিযোগ এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শীফাতকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহলের প্রতিনিধিরা।

তাদের বক্তব্য, বিচারপ্রার্থী কোনো নারী যদি পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রস্তাব বা অসদাচরণের অভিযোগ করে থাকেন, তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা উচিত। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে তারা বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দোষী কিংবা নির্দোষ বলে মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তাদের মতে, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দরগারোড এলাকায় এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলা এবং ভাদিতলা এলাকায় ডাকাতির ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাবেকুন নাহার নামে এক নারী থানায় অভিযোগ দিতে যান। তিনি দাবি করেন, থানায় দায়িত্বরত এক এএসআই ও একজন বেতার অপারেটর তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন এবং অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি এবং অভিযুক্তদের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগের বিষয়ে ওসি শীফাতের কাছে অবহিত করা হলে তিনি বিষয়টি গ্রহণ করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তাদের মতে, একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে অভিযোগের তদন্ত নিশ্চিত করাই ওসির দায়িত্ব।

এদিকে ওসি শীফাতের সমর্থনে বক্তব্য দেওয়া ব্যক্তিরা দাবি করেন, তিনি ঈদগাঁও থানায় যোগদানের পর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে এ দাবিরও স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণই জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *