মোঃআনজার শাহ
আন্তর্জাতিক শিক্ষা অঙ্গনে খুলল নতুন সম্ভাবনার দ্বার। উত্তর মেসিডোনিয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্লাভিক ইউনিভার্সিটি সেন্ট নিকোলাস, বলকান হিউম্যান রিসোর্সেস এবং বাংলাদেশের বেস্ট ওয়ান গ্লোবাল সার্ভিসেসের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার্থী নিয়োগ চুক্তি (স্টুডেন্ট রিক্রুটমেন্ট এগ্রিমেন্ট)। এই চুক্তির লক্ষ্য এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া।
সম্প্রতি উত্তর মেসিডোনিয়ায় অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সংশ্লিষ্ট তিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল স্লাভিক ইউনিভার্সিটির সম্মানিত পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
শিক্ষার্থীদের জন্য স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য ভর্তি প্রক্রিয়া:
এই অংশীদারত্বের মধ্য দিয়ে এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা উত্তর মেসিডোনিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণের বিস্তৃত সুযোগ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশ্বস্ত, স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক ভর্তি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার বিষয়টির ওপর, যাতে বিদেশে পড়াশোনার স্বপ্ন দেখা প্রতিটি শিক্ষার্থী নির্ভরযোগ্য পথে এগিয়ে যেতে পারেন।
“এই সহযোগিতার অংশ হতে পেরে গর্বিত” বেস্ট ওয়ান গ্লোবাল সার্ভিসেস:
চুক্তি প্রসঙ্গে বেস্ট ওয়ান গ্লোবাল সার্ভিসেসের ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আন্তর্জাতিক এই সহযোগিতার অংশ হতে পেরে তিনি গর্বিত অনুভব করছেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকৃত ও মানসম্মত আন্তর্জাতিক শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।
তিনি আরও বলেন, এশিয়া ও আফ্রিকার শিক্ষার্থীদের জন্য উত্তর মেসিডোনিয়ায় উচ্চশিক্ষার নতুন সম্ভাবনা তৈরিতে এই অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করাই তাদের অন্যতম মূল লক্ষ্য।
পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে:
সংশ্লিষ্টদের মতে, ইন্টারন্যাশনাল স্লাভিক ইউনিভার্সিটির সঙ্গে বলকান হিউম্যান রিসোর্সেস এবং বেস্ট ওয়ান গ্লোবাল সার্ভিসেসের এই সহযোগিতা আন্তর্জাতিক শিক্ষাক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করবে। পাশাপাশি বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য তথ্য প্রাপ্তি, ভর্তি প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধাপে সহযোগিতার সুযোগও বাড়বে।
বৈঠকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের আস্থা ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে আরও বিস্তৃত পরিসরে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
শিক্ষার মাধ্যমে বৈশ্বিক সুযোগ সৃষ্টি এবং এশিয়া ও আফ্রিকার শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার পথকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও উজ্জ্বল করে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।