খেলা ডেস্ক
কিলিয়ান এমবাপ্পে খেলেন রিয়াল মাদ্রিদে, লামিনে ইয়ামাল বার্সেলোনায়। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবের দুই তারকা এখন সম্ভাব্য ব্যালন ডি’অর জয়ী হিসেবে আলোচনায়। তাঁদের পক্ষে কথা বলছেন ক্লাব কোচেরাও। হ্যারি কেইন, উসমান দেম্বেলে ও রদ্রির নামও রয়েছে আলোচনায়।তবে সেই তালিকায় একটু ব্যতিক্রমী পছন্দ আতলেতিকো মাদ্রিদ কোচ দিয়েগো সিমিওনের। ইউরোপে খেলা তারকাদের এক পাশে রেখে তাঁর চোখে ২০২৬ ব্যালন ডি’অরের যোগ্য লিওনেল মেসি। লা লিগায় আতলেতিকো-ওসাসুনা ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি ইন্টার মায়ামির ফরোয়ার্ডকেই এগিয়ে রেখেছেন।ইয়ামাল ও এমবাপ্পেদের আলোচনায় থাকার পেছনে রয়েছে তাঁদের দলগত ও ব্যক্তিগত সাফল্য। ইয়ামাল সর্বশেষ ক্লাব মৌসুমে ১৬ গোল ও ১২টি অ্যাসিস্ট করেছেন।বার্সেলোনার হয়ে লা লিগা জেতার পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে লিগের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতিও পেয়েছেন ইয়ামাল। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় অর্জন স্পেনের হয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয়।এমবাপ্পের ক্ষেত্রে দলীয় অর্জন নেই। তাঁর দল রিয়াল মাদ্রিদ কোনো ট্রফি জেতেনি, বিশ্বকাপে ফ্রান্সের পথচলা থেমেছে সেমিফাইনালে। তবে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে এমবাপ্পে ছিলেন দুর্দান্ত। সর্বশেষ মৌসুমে লা লিগায় সর্বোচ্চ ২৫ গোল, চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ ১৫ গোল এবং বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১০ গোল করেছেন তিনি। এরই মধ্যে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও গড়েছেন এমবাপ্পে।আতলেতিকো কোচের মেসিকে এগিয়ে রাখার পেছনেও রয়েছে বিশ্বকাপে তাঁর পারফরম্যান্স। কে ব্যালন ডি’অর জিততে পারেন—এমন প্রশ্নের জবাবে সিমিওনে সোজাসাপ্টাই বলেছেন, ‘নিঃসন্দেহে মেসি। বিশ্বকাপে সে যে পারফরম্যান্স করেছে, তাঁর বয়স বিবেচনায় নিলে কোনো সন্দেহই নেই। মেসি।’৩৯ বছর বয়সে আর্জেন্টিনাকে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলতে ভূমিকা রেখেছেন মেসি। আট ম্যাচ খেলে করেছেন ৮ গোল, সঙ্গে রয়েছে ৪টি অ্যাসিস্ট। এ ছাড়া মৌসুমে ৪৪ গোল ও ৩০টি অ্যাসিস্টের পথে ইন্টার মায়ামির হয়ে এমএলএস কাপও জিতেছেন মেসি।স্বদেশি মেসিকে এগিয়ে রাখলেও সিমিওনের অবশ্য ব্যালন ডি’অরে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। বর্ষসেরা ফুটবলারের এই পুরস্কারটি নির্ধারণ হয় সাংবাদিকদের ভোটে।