Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
ওএমএস ডিলার মিতা খানমমের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

ওএমএস ডিলার মিতা খানমমের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:

সরকারের স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য পরিচালিত ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) কার্যক্রমে গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকায় ওএমএস ডিলার মিতা খানম নিজে ট্রাকসেল পরিচালনা না করে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সেটি সুমন নামে এক ব্যক্তির কাছে ভাড়া দিয়েছেন। পরে ওই ব্যক্তি সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে প্রকৃত উপকারভোগীদের পরিবর্তে অধিকাংশ চাল ও আটা খোলা পাইকারি বাজারে বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিদিন ওএমএস ট্রাকসেলে যে পরিমাণ চাল ও আটা বিক্রির জন্য বরাদ্দ আসে, তার বড় একটি অংশ নির্ধারিত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায় না। বরং সেগুলো বিভিন্ন পাইকারি ব্যবসায়ীর কাছে বেশি দামে বিক্রি করে দেওয়া হয়। ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক নিম্নআয়ের মানুষ খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ডিলার মিতা খানম নিয়মিতভাবে নিজে উপস্থিত না থেকে ভাড়াটিয়া সুমনের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা ওএমএস নীতিমালার পরিপন্থী। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির ঘাটতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্রেতা অভিযোগ করে বলেন,
“কি করব ভাই? আমাদের প্রতিদিন দুই হাজার টাকা করে তদারকি কর্মকর্তাকে দিতে হয়। না দিলে সেল পরিচালনা করতে দেওয়া হয় না। কমিশন পাই মাত্র ছয় হাজার টাকা। এই অবস্থায় অনেকে বাধ্য হয়ে চাল-আটা বাইরে বিক্রি করে লোকসান পুষিয়ে নেয়।”

অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, সায়েদাবাদ এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত তদারকি কর্মকর্তা কামরুল ইসলামকে নিয়মিত ঘুষ দেওয়া হয় বলেও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। যদিও এ অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সরকারের ভর্তুকির চাল ও আটা প্রকৃত দরিদ্র মানুষের হাতে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ওএমএস কার্যক্রম চালু করা হলেও কিছু অসাধু ডিলার ও তাদের সহযোগীদের কারণে সেই উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এ বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *