
আক্তার হোসেন বাবু :মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় জমির দালাল চক্রের হাতে নিঃস্ব একাধিক পরিবার ভুক্তভোগী ইউনিয়ন এবং গজারিয়া থানার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদেরও ইউপি চেয়ারম্যান কিংবা প্রশাসনের দ্বারস্থতো হয়েও পাচ্ছেন না কোন সমাধান
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ৩ নং টেংঙ্গারচর ইউনিয়ন মীরার গাও গ্রাম অবস্থিত জমি সংক্রান্ত বিষয়ে ওখানে একটি চক্র বিভিন্ন অজুহাত তালবাহানা দেখিয়ে
সরল অসহায় মানুষদের সাথে সুন্দর ব্যবহার দেখিয়ে কৌশলে জমি ক্রয় বিক্রয় করে দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ কোটি টাকা।
তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গিয়ে জানতে পারে এক ভুক্তভোগীর কাছে-
নানা অজুহাত কৌশল খাটিয়ে পূর্বে জমি বিক্রি করে সেই জমি আবার বিক্রি করে দেয়া হয়। ভুক্তভোগী যখন এই বিষয়ে জানতে পারেন তখন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গজারিয়া থানার আইন প্রশাসক এবং টেংঙ্গারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে অবগত করার পরও কোন প্রকার সুরাসয় মিলছে না।উল্টো ভুক্তভোগী কে তাদের পেশি শক্তি দালাল সিন্ডিকেট নানাভাবে বয় ভীতি দেখিয়ে বিভিন্নভাবে মানহানির চেষ্টা করে যাচ্ছেন এই তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এলাকার আশপাশে বিজ্ঞ মানুষদের কাছে জানতে পারাযায় তাদের এই সিন্ডিকেট এরকম ভাবে আরো কয়েকটা ফ্যামিলির সাথে প্রতারণা করে আসছে। তাদের কাজই এটা মানুষের সাথে প্রতারণা করে তাকে সর্বস্বান্ত করে দিয়ে তখনই তাদের আসল রূপ দেখায় পেশি শক্তি। তাদের আচরণ এতটাই মধুর দেখলে মনে হবে তারা নিষ্পাপ তাদের কৌশল অত্যন্ত নিখুঁত তাদের এতটাই নিখুজ যে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরও বিচার সালিশের উপেক্ষা করে অপমানিত করে যাচ্ছেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জনদের।
এ বিষয়ে এক ভুক্তভোগী জানান :-মুন্সিগঞ্জ গজারিয়ায় ৩ নং টেংঙ্গারচর ইউনিয়ন মীরের গাও গ্রামের! মহরম সিরাজুদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন মিয়ার গং সাথে আরো কয়েকজন জড়িত জড়িতদের ব্যাপারে নাম-ঠিকানা ছবি সহ তথ্য সংগ্রহকার চলমান। মূল বিষয়ে আসি মোহাম্মদ মামুনের নিকট থেকে ১৫/০৫/২০২৩ খ্রিস্টাব্দে গজারিয়া সাভ রেজিস্টার অফিসে সাক্ষী প্রমাণ এবং সরকারি আইন মোতাবেক সরকারি সকল নীতি কার্য মোতাবেক রেস্টোরি করে সাড়ে ৮ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়। ক্রয় কিত জমি নিচু হওয়াতে জমি কিছুদিন পর বুঝিয়ে দেবে বলে বুঝিয়ে দেয়নি এরই মধ্যে ভুক্তভোগী জানতে পারে জমিতে জামেলা তখন তিনি খোঁজ নিয়ে দেখতে পান এই জমি আগে অন্য জায়গায় বিক্রি করে পুনরায় বিক্রি করা হয়েছে।
তখন ভুক্তভোগী মানুষের দ্বারস্থ হতে হতে গজারিয়া আইন প্রশাসন ওই এলাকা ইউপি চেয়ারম্যান এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জন এরকম কোন লোক নেই যে উনি শরণাপন্ন হননি। কিন্তু এর প্রতিফল পাওয়া গেল শূন্য ০ অনেকেই বলছে তারা ভালো মানুষ নয় এখন এই ভুক্তভোগী তার কষ্টের অর্জিত টাকা সম্পদ এবং নিজের জীবনের ঝুঁকিতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।ভুক্তভোগী জানান এই যদি হয় মানুষরূপী মানুষের পরিচয় তাহলে সাধারণ মানুষের কি হবে উপায়।
এরকম দালাল চক্র রাখছে না এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের মান সম্মান,শুনছে না কোন প্রশাসনিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কথা কত নিকৃষ্ট মানুষ ছেলে সন্তান আত্মীয়-স্বজন পরিবেশ নষ্ট করার জন্য কলঙ্কিত হচ্ছে এই এলাকা।
এ ব্যাপারে এই অসাধু জমি চক্রের সাথে যারা জড়িত তাদের ছবি ভিডিও সকল সংগ্রহের কার্য চলমান দ্বিতীয় পর্বে আমরা এই চক্রান্ত চক্রের সবার মুখোশ উন্মোচন পর্ব আসছে।
ভুক্তভোগীর জানান কোন পর্যায়ে যখন কোনভাবে আর সমাধান পাচ্ছে না! সে ক্ষেত্রে এরকম দালাল চক্রের হাতে যেন আর কোন পরিবার নিঃস্ব না হয়ে যায়। কোন গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তি যেন এরকম দালাল চক্রের কারণে গ্রামের গণ্যমান ব্যক্তিবর্গ এবং গ্রামের মান ইজ্জত নষ্ট না হয় সে ক্ষেত্রে তাদের মুখোশ উন্মোচন করাটাই এখন তার প্রদান লক্ষ্য! এতে সে টাকা পাক আর না পাক বা তাকে মেরে ফেলুক তাতে কিছু যায় আসে না।
পোস্টটি শেয়ার করে সাধারণ জনগণকে সতর্ক করার জন্য বিশেষভাবে সবার কাছে অনুরোধ রইলো
নিচে প্রতারকের ছবি দেওয়া হল এবং বিজ্ঞ সম্মানিত একজন আইনজীবীর পরামর্শ এরকম অপরাধী আইনে কি শাস্তি হতে পারে তাহা তুলে ধরা হলো । আইনকে সম্মান এবং শ্রদ্ধা করে এ ব্যাপারে গজারিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ অনেক আগেই ধায়েল করা হয়েছে ।
আজ প্রতারক মামুন এর পরিচয় তুলে ধরা হলো বাকি সবার গুলো পরবর্তীতে আসবে।