গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের ছেলেসহ নিহত ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় এক শিশুসহ চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশের বড় ছেলে বাসির আল-বুরশও রয়েছেন। এ ছাড়া শুক্রবারের হামলায় আহত আরও একজন শনিবার মারা গেছেন।

চিকিৎসাসূত্রের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার ইসরাইলি হামলায় তিনজন নিহত হন। এর মধ্যে গাজা সিটির শেখ রাদওয়ান বাজার এলাকায় একটি বেসামরিক গাড়িতে ড্রোন হামলায় একজন নিহত ও অন্তত চারজন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।

হামলার পর গাড়িটিতে আগুন ধরে যায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে সেটি জ্বলতে থাকে। পরে উদ্ধারকর্মীরা আগুন নেভান। গাড়িতে থাকা নিহত ব্যক্তির মরদেহ আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সে নেওয়া হলেও অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়ায় তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

গাজা সিটি থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক হানি মাহমুদ জানান, ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে গাড়িটিতে হামলা করা হয়। অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসাকর্মী ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত প্রায় আধা ঘণ্টা গাড়িটি জ্বলছিল। নিহত ব্যক্তির মরদেহ সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছিল বলেও জানান তিনি।

মাহমুদ আরও জানান, শনিবার সকাল থেকেই পুরো গাজা উপত্যকার আকাশে ইসরাইলি নজরদারি বিমান, হামলাকারী ড্রোন ও কোয়াডকপ্টার খুব নিচু দিয়ে উড়ছিল।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ছেলেও নিহত

এর আগে শনিবার উত্তর গাজার জাবালিয়ায় ইসরাইলি ড্রোন হামলায় গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশের বড় ছেলে বাসির আল-বুরশ নিহত হন। আজ-জাহরা এলাকায় শরণার্থীশিবিরের পশ্চিম দিকে এ হামলা চালানো হয়। এতে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বাসিরকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আল জাজিরার হাতে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মুনির আল-বুরশ তার ছেলের কম্বলে মোড়ানো মরদেহ বহন করছেন। পরে অন্য স্বজন ও শোকাহতদের সঙ্গে তিনি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহটি হাসপাতালে নিয়ে যান।

ভিডিওতে মুনির আল-বুরশ বলেন, ‘আমরা পাশাপাশি ছিলাম। বাসির আমাকে বলেছিল, ইসরাইলিরা আমাদের দুজনকেই লক্ষ্য করছে। আমি তাকে বলেছিলাম, ভালো, অন্তত আমরা একসঙ্গে জান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *