লাবলু মিয়া:
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে টাঙ্গাইল ৫ আসনের জাতীয় পার্টির এমপি প্রার্থী মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, যিনি টাঙ্গাইল জেলার জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক, তার মার্কা লাঙ্গল, এই আসনকে উন্নয়নমুখী, শান্তিপূর্ণ ও মাদক ও চাঁদাবাজি মুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। স্থানীয়রা ইতিমধ্যেই তাকে একজন নিষ্ঠাবান, জনবান্ধব এবং সক্রিয় নেতা হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
মোজাম্মেল হক তার নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে বিভিন্ন গণসংযোগ সভা ও সাধারণ মানুষদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করছেন। তিনি বলেন, “আমার লক্ষ্য হলো টাঙ্গাইল ৫ আসনের মানুষকে সুস্থ, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধ জীবন দেওয়া। এজন্য আমি মাদক, চাঁদাবাজি ও অন্য সামাজিক কুড়ি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবো। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং নারী ও যুব সমাজের ক্ষমতায়নের জন্যও কাজ করবো।”
প্রার্থী মোজাম্মেল হকের ইতিবাচক কর্মকাণ্ড ইতিমধ্যেই স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বৃত্তি ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছেন। স্থানীয় স্কুল ও কলেজগুলোর উন্নয়ন, পাঠ্যপুস্তক বিতরণ এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও মোজাম্মেল হক নিয়মিত স্বাস্থ্য ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করেছেন। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল এবং দুর্গম এলাকার মানুষরা তার এই উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে অভিহিত করেছেন। একজন স্থানীয় মহিলা বলেন, “তিনি আমাদের সমস্যা বুঝে কাজ করেন। আমাদের এলাকায় মাদক ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে তার উদ্যোগ অনেক সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে।”
নারী ও যুবকদের ক্ষমতায়নে তার ভূমিকা লক্ষ্যণীয়। তিনি নারী উদ্যোক্তা এবং যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। স্থানীয়রা বলছেন, “তার নেতৃত্বে নারী ও যুব সমাজ আত্মনির্ভর হতে পারছে। এটি আমাদের সমাজকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে।”
মোজাম্মেল হক সবসময় সততা, স্বচ্ছতা এবং জনগণের কল্যাণকে প্রাধান্য দেন। তার নির্বাচনী প্রচারণা শান্তিপূর্ণ এবং সুশৃঙ্খল। সাধারণ মানুষদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ, তাদের সমস্যা বুঝে সমাধান খোঁজা এবং সামাজিক উন্নয়নে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
স্থানীয় কৃষক, ব্যবসায়ী এবং শিক্ষার্থীরা তার কর্মকাণ্ডকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন। একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “মোজাম্মেল হক সবসময় আমাদের কথা শুনেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেন। তার নেতৃত্বে আমাদের আশেপাশের এলাকায় মাদক ও চাঁদাবাজি কমছে এবং শান্তি ফিরে এসেছে।”
মোজাম্মেল হক মনে করেন, একটি উন্নয়নমুখী সমাজ গড়ার জন্য শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন যথেষ্ট নয়; সামাজিক ও মানবিক দিকেও নজর দিতে হবে। এজন্য তিনি টাঙ্গাইল ৫ আসনকে মাদক, চাঁদাবাজি ও অন্য অশুভ কার্যক্রম থেকে মুক্ত রাখার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার মান, স্বাস্থ্যসেবা, যুব ও নারী ক্ষমতায়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন।
একজন বৃদ্ধ ভোটার বলেন, “মোজাম্মেল হক আমাদের এলাকার জন্য কাজ করছেন। আমরা তার নেতৃত্বে টাঙ্গাইল ৫ আসনকে উন্নয়নমুখী ও নিরাপদ এলাকা হিসেবে দেখতে চাই।”
মোজাম্মেল হকের এই প্রতিশ্রুতি ও বাস্তব কর্মকাণ্ড স্থানীয়দের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করেছে। তিনি তার সততা, নিষ্ঠা এবং জনসেবামূলক মনোভাবের মাধ্যমে টাঙ্গাইল ৫ আসনের মানুষের কাছে শক্তিশালী ও জনপ্রিয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তার “মার্কা লাঙ্গল” পরিচয় ও টাঙ্গাইল জেলা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নেতৃত্ব স্থানীয় মানুষের মধ্যে আরও বিশ্বাস যোগ করেছে।
মোজাম্মেল হক দেখিয়েছেন, যে নেতা জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থাকে, সমস্যা বুঝে সমাধান করে এবং শিক্ষার মান, স্বাস্থ্যসেবা ও যুব ও নারী ক্ষমতায়নের মতো সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে, সেই নেতা আসলেই একটি উন্নয়নমুখী সমাজ গড়তে পারে। তার প্রচেষ্টা টাঙ্গাইল ৫ আসনকে একটি মাদক ও চাঁদাবাজি মুক্ত, জনকল্যাণমুখী এবং শিক্ষিত সমাজ হিসেবে গড়ে তোলার পথে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।