মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী, ব্যুরো চিফ
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১৮নং ওয়ার্ডের শহীদনগর, ডিয়ারা ও সুকুমপট্টি এলাকার বাসিন্দারা জনবান্ধব প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।
গোগনগর বড় মসজিদ থেকে সুকুমপট্টি জামে মসজিদ পর্যন্ত সংযোগ সড়কের গাউসুল আজম জামে মসজিদ হতে সুকুমপট্টি জামে মসজিদ পর্যন্ত অংশের বেহাল অবস্থা এখন চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন গোগনগর বড় মসজিদ থেকে গাউসুল আজম জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করলেও, গাউসুল আজম জামে মসজিদ থেকে সুকুমপট্টি জামে মসজিদ পর্যন্ত অংশে কোনো উন্নয়ন কাজ করা হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গাউসুল আজম জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকা থেকে শুরু করে সুকুমপট্টি জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে ড্রেনের পানি উপচে রাস্তায় উঠে এসেছে। এতে রাস্তাটি ভেঙে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় পুরো রাস্তা ডুবে যায়। এছাড়া সড়কের একাংশ উঁচু ও অন্য অংশ নিচু থাকায় পানি ঠিকভাবে ড্রেনে যেতে পারছে না।
ড্রেনের অনেক স্ল্যাব ভেঙে পড়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিনিয়ত গাড়ি ও পথচারীরা এসব স্থানে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।
এলাকাবাসী আরও জানান, এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ — গোগনগর ইউনিয়ন, মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে নারায়ণগঞ্জে যাতায়াত করেন। এছাড়া শহরের নিতাইগঞ্জের সঙ্গে মুন্সিগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার বাণিজ্যিক রুট হিসেবেও সড়কটি ব্যবহৃত হয়।
তবে সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে রাতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং ছিনতাইয়ের ঘটনাও বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর বক্তব্য, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইতোমধ্যে জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী প্রশাসক হিসেবে শহরজুড়ে প্রশংসিত হয়েছেন।
তাই এলাকাবাসীর জোর দাবি—
জনবান্ধব প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর কাছে গাউসুল আজম জামে মসজিদ থেকে সুকুমপট্টি জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়ক ও ড্রেন দ্রুত সংস্কার করে জনগণকে এই চরম দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।