একরামুল হক রিয়াদ:
ফেনীর পূর্ব ছাগলনাইয়া বিদ্যুৎ অফিস থেকে ৫০ গজ দূরে পৌরসভার ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে রয়েছে। ওই এলাকার বাসাবাড়ির আবর্জনা চলাচলের প্রধান সড়কের ওপর স্তূপ করে রাখা হয়। জমে থাকা এসব ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা।
এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, এখানকার ময়লা যেন নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা হয়। ছাগলনাইয়া পৌরসভা এলাকার শহীদ আবদুর রাজ্জাক সড়কের প্রধান ডাকঘর এলাকায় শতাধিক বাসাবাড়ি রয়েছে। এখানে কোনো ডাস্টবিন না থাকায় এসব বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা সড়কের ওপর ফেলা হয়। ফলে এসব ময়লা-আবর্জনা পুরো সড়কে ছড়িয়ে পড়ছে। আর ময়লা থেকে পঁচা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার হাজারো শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা চলাচল করে। পাশাপাশি প্রধান ডাকঘরে সেবা নিতে আসা মানুষ এবং পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে সেবা নিতে আসা লোকজনও এই সড়ক ব্যবহার করেন। ফলে এসব আবর্জনার দুর্গন্ধে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কটির দক্ষিণ পাশে জমে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা। পূর্ব ও পশ্চিম পাশে পলিথিনের ব্যাগে ভরা ময়লা পড়ে আছে। পলিথিনে থাকা এসব ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে পড়ছে পুরো সড়কে। একই সঙ্গে ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ততম। শত শত যানবাহন প্রতিনিয়ত আসা-যাওয়া করে। এ কারণে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে।
স্কয়ার হাসপাতালের মুরাদ নামে এক পথচারী জানান, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। সড়কের পাশে জমে থাকা ময়লার ভাগাড় থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। অনেক সময় নাক-মুখ বন্ধ করে চলাফেরা করতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বাসাবাড়ির মালিক বলেন, এখানে শতাধিক বাসাবাড়ি রয়েছে। কিন্তু ময়লা ফেলার জন্য কোনো ডাস্টবিন নেই। বাধ্য হয়ে বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্ট এখানে ফেলতে হচ্ছে। স্থায়ীভাবে এখানে একটি ডাস্টবিন নির্মাণ করা হলে উপকার হতো। তাহলে যত্রতত্র ময়লা ফেলা হতো না। কাউকে দুর্ভোগও পোহাতে হতো না। বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা দেখবেন বলে আশা করছি।