মোঃআনজার শাহ
কালবৈশাখীর ভয়াল আঘাতে ঝড়ের পর ঝড়, বৃষ্টির পর বৃষ্টি আর তার মাঝে দিনের পর দিন বিদ্যুৎহীন থেকে অবর্ণনীয় কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন বরুড়া উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। কিন্তু সেই অন্ধকারেও আশার আলো নিয়ে মাঠে নেমেছেন প্রশাসন ও পল্লী বিদ্যুতের শীর্ষ কর্মকর্তারা। কালবৈশাখীর ভয়াল তাণ্ডবে বিপর্যস্ত বিদ্যুৎ অবকাঠামো পুনরুদ্ধারে সরেজমিনে ছুটে গেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার। দুর্গম পথ আর প্রতিকূল আবহাওয়াকে তোয়াক্কা না করে তাঁদের এই সাহসী মাঠ পরিদর্শন ইতিমধ্যে বিপন্ন বরুড়াবাসীর মনে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) ঋষি কুমার ঘোষ স্বাধীন সংবাদ পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আনজার শাহকে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানসহ তিনি নিজে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো একে একে সরেজমিনে পরিদর্শন করছেন। নয়নতলা, গামারুয়া, মধ্য লক্ষ্মীপুর, ডিমরুল, জিনসার ও সাহারপদুয়াসহ উপজেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিদ্যুৎ লাইনের ক্ষয়ক্ষতি সরাসরি চোখে দেখে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং মেরামতকাজ ত্বরান্বিত করতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ডিজিএম ঋষি কুমার ঘোষ আরও জানান, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বরুড়ার বিদ্যুৎ লাইন নিরাপদে ও দ্রুততার সঙ্গে মেরামত করার জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন। মাননীয় মন্ত্রীর সেই নির্দেশনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পল্লী বিদ্যুতের অভিজ্ঞ কর্মীদল দিনরাত এক করে মাঠে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে বলেন, প্রিয় বরুড়াবাসীর সহযোগিতা ও আস্থা অব্যাহত থাকলে গামারুয়া, জোয়াগ, মধ্য লক্ষ্মীপুর, ডিমরুল, জিনসার ও সাহারপদুয়াসহ উপজেলার প্রতিটি ঘরে ঘরে অতি শিগগিরই বিদ্যুৎ সংযোগ সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে এবং দীর্ঘ অন্ধকারের অবসান ঘটে আলোয় ভরে উঠবে বরুড়ার প্রতিটি প্রান্ত।