Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
মাদকের আসামিদের আলাদা রাখার প্রস্তাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় কারা কর্তৃপক্ষের! - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

মাদকের আসামিদের আলাদা রাখার প্রস্তাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় কারা কর্তৃপক্ষের!

স্টাফ রিপোর্টার:

মাদকাসক্ত ও মাদক মামলার বন্দিদের সঙ্গে একই কারাগারে থেকে অন্য মামলার বন্দিরাও মাদকে জড়াচ্ছে বলে মনে করছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কারা কর্তৃপক্ষ। এ পরিস্থিতিতে মাদকাসক্ত বন্দিদের পুনর্বাসন এবং পুনরায় একই অপরাধে জড়ানোর সুযোগ কমাতে আলাদা স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি কারা অধিদপ্তরে পাঠানো চট্টগ্রাম বিভাগীয় কারা কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন কারাগারে থাকা বন্দিদের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ মাদক মামলার আসামি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের ১২টি কারাগারে মাদকাসক্ত বন্দির হার প্রায় ৩৩ শতাংশ।

“মাদকাসক্ত ও মাদক মামলার বন্দি ও অন্যান্য মামলার বন্দিদের একই কারাগারে রাখার কারণে দিন দিন মাদক অপরাধের সংখ্যা বাড়ছে।” চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন্স) ছগির মিয়া বলেন, দেশের কারাগারগুলোতে সব ধরনের বন্দিদের একসঙ্গে রাখা হয়; যার কারণে অনেকেই মাদকে জড়িয়ে পড়ছে। কক্সবাজার জেলা কারাগারে গড়ে আড়াই থেকে তিন হাজার বন্দি থাকেন, যার মধ্যে অন্তত ১ হাজার ২০০ জন রোহিঙ্গা।

“মাদক আইনে গ্রেপ্তার মাদকাসক্ত বন্দিদের অন্য মামলার বন্দিদের থেকে আলাদা রাখা গেলে মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন সহজ হবে। এ কারণে মাদকাসক্ত বন্দিদের জন্য আলাদা স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।” একই প্রস্তাবে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কারা কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি বন্দিদের থেকে রোহিঙ্গা বন্দিদের আলাদা রাখারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দি ধারণক্ষমতা ৪০০ জন। কিন্তু এ কারাগারে গড়ে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন হাজার বন্দি থাকেন, যার মধ্যে অন্তত ১ হাজার ২০০ জন রোহিঙ্গা। ডিআইজি-প্রিজন্স ছগির মিয়া বলেন, বাংলাদেশি বন্দি ও রোহিঙ্গা বন্দিদের অপরাধের মাত্রা ভিন্ন। রোহিঙ্গারা মাদক, চোরাচালান এবং সামাজিক অপরাধে সম্পৃক্ত হয়ে কারাগারে যাচ্ছে। একই কারাগারে রাখার কারণে রোহিঙ্গাদের অপরাধের মাত্রাটি বাংলাদেশিদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য বলছে, চট্টগ্রাম বিভাগে বর্তমানে মোট ১২টি কারাগার রয়েছে, যার মধ্যে দুটি কেন্দ্রীয় কারাগার। এসব কারাগারের মধ্যে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৪৯ জন। এছাড়া কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ১ হাজার ৭৪২ জন, রাঙামাটি জেলা কারাগারে ১৪৫, বান্দরবান জেলা কারাগারে ১১৪ জন, খাগড়াছড়ি জেলা কারাগারে ৮১ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে ৭৮০, কক্সবাজার কারাগারে ৮৩০, চাঁদপুর কারাগারে ৪৭৫, নোয়াখালী কারাগারে ৫০০, লক্ষ্মীপুর কারাগারে ২৯৫, ফেনী জেলা কারাগার-১-এর বন্দি ধারণক্ষমতা ৩৯২ ও কারাগার-২-এর ধারণক্ষমতা ১৭২ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *