আবদুল আজিজ:
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান বলেন, বর্তমান সরকার মাদরাসা শিক্ষাকে আরও গতিশীল ও কর্মমুখী করতে কাজ করে যাচ্ছে। একনেকে দুটি বিল পাস করে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্যে ৬৫৬টি মাদরাসায় ১২টি ডিজিটাল ক্লাসরুম স্থাপনসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক জ্ঞানের পাশাপাশি কর্মমুখী আধুনিক শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে। এছাড়া মাদরাসার অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধান, খেলার মাঠ ভরাট, শ্রেণিকক্ষ সংস্কারসহ শিক্ষার্থীদের আরবি ও ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ কোর্স চালুর দিকনির্দেশনা দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে কক্সবাজারের চকরিয়া আমজাদিয়া রফিকুল উলুম কামিল মাদরাসা কর্তৃক শিক্ষার মানোন্নয়নে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এই অঞ্চলের মানুষ ভাগ্যবান। আমাদের একজন মহান জাতীয় নেতা, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের মতো ব্যক্তিকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পেয়েছে। কক্সবাজারের মাদরাসা শিক্ষার মান উন্নয়ন নিয়ে এত বেশি চিন্তা করতে হবে না। মাদরাসার যাবতীয় প্রয়োজনীয়তা পূরণে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের একটু নেক নজরই যথেষ্ট।
ভাইস চ্যান্সেলর মাদরাসার একাডেমিক কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। বিদ্যমান সুবিধাসমূহ পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও মানোন্নয়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে মন্ত্রী মহোদয়ের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পরে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং মাদরাসার আঙ্গিনায় কয়েকটি বৃক্ষরোপণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গভর্নিং বডির সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জনাব শাহিদুল আলম, ভাইস চ্যান্সেলরের একান্ত সচিব ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আশফাক আখতার, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব এনামুল হক, পেকুয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক ছফওয়ানুল করিম, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন দেলোয়ারসহ উপজেলার বিভিন্ন ফাজিল ও কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ, মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ।