স্টাফ রিপোর্টার:
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের এক গৃহবধূর জীবন শেষ হলো এক নির্মম পরিণতিতে। মৃত্যুর পর তার মরদেহ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রেখে পালিয়ে যান তার স্বামী হাফিজ মোল্লা। অভিযোগ রয়েছে, স্বামীর নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়। এজন্যই মরদেহ মর্গে ফেলে স্বামী হাফিজ মোল্লা পালিয়ে যান।
পরিবারের দাবি, প্রায় ১২ বছর আগে সামিয়াকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে বিয়ে করেন হাফিজ। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই শুরু হয় নির্যাতন। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। এ ছাড়া হাফিজের আরও দুই স্ত্রী রয়েছে বলেও জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাফিজ মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক অভিযোগ এসেছে সামিয়ার মেয়ের মুখে। তার ভাষ্য, তার বাবা প্রায়ই তাদের মাকে মারধর করতেন। একসময় তার মায়ের একটি আঙুল কেটে দেন, মাথাও ফাটিয়ে দেন। শুধু তাই নয়, তারা যদি কারও কাছে সত্য ঘটনা বলে, তাহলে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন এবং গলায় ছুরি ধরেও ভয় দেখাতেন।