স্টাফ রিপোর্টার:
ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার মনপুরা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক গফুরের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে একটি কুচক্রী মহল। মূলত বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সম্প্রীতি বিনষ্ট করা ও মনপুরা উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির উদ্দেশ্যে উক্ত কুচক্রী মহলটি কাজ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাংবাদিক গফুর সিকদার জানান, এর আগেও কারও ইশারায় একই মহল এমন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। তিনি আরও বলেন, তিনি কারও কাছে ভোট চাননি—এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য। যদি কেউ এমন কোনো ভিডিও দেখাতে পারে যেখানে তিনি জামায়াতের পক্ষে ভোট চাইছেন, তবে আইনে যা শাস্তি হবে তিনি তা মাথা পেতে নেবেন। তাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে এসব গুজব ছড়ানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্য গফুর সিকদার স্বাধীন সংবাদের মনপুরা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভিডিপি সদস্য হিসেবে সরকারকে সহযোগিতা করে থাকেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় নির্বাচনে ফকিরহাট দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। নির্বাচনের প্রায় ১২ দিন পর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এছাড়া উক্ত মিথ্যা প্রতিবেদনে রিপোর্টার্স ক্লাব মনপুরাকেও জড়ানো হয়েছে। জানা যায়, গফুর সিকদার গণঅধিকার পরিষদের একজন সদস্য হিসেবে মনপুরায় কাজ করতেন। গণঅধিকার পরিষদ বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়। সে ক্ষেত্রে তিনি কেন জামায়াতের পক্ষে ভোট চাইবেন—এ প্রশ্নও তোলেন তিনি। তার দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হয়েছে।
এ ধরনের মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে রিপোর্টার্স ক্লাব, মনপুরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উক্ত মিথ্যা প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মনপুরা রিপোর্টার্স ক্লাবের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে সাংবাদিক গফুর সিকদারের বিরুদ্ধে এমন সংবাদ প্রচার করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন। মনপুরায় বর্তমানে তিনটি সাংবাদিক ক্লাব থাকায় পারস্পরিক বিরোধ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে তিনি ক্লাবের সকল সাংবাদিককে ঘটনাটির প্রকৃত তথ্য অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন প্রকাশের নির্দেশনা প্রদান করেন।