আবু সায়েদ:
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তেওয়ারিগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্ব চরমনসা গ্রামে অটোরিকশা চালক ফরহাদ হোসেন (৩০)-এর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল ২০২৬) সকালে স্থানীয়দের খবরে ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফরহাদ হোসেন একই গ্রামের মো. দিদার হোসেনের ছেলে। তিনি এক সন্তানের জনক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে এক ব্যক্তি পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে মোবাইল ফোনে ফরহাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। শুক্রবার ভোরে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরে সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি ফসলি মাঠে স্থানীয়রা তার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তার ডান চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে।
নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে, টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম বলেন,
“পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে রাতে তাকে ফোন করে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর আর তিনি ফিরে আসেননি। টাকা লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।