এস আই সাগর চৌধুরী ভোলা:
যিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিএনপির রাজনৈতিক দুঃসময়ে গ্রেফতার, হামলা, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেটের ঝুঁকি উপেক্ষা করে তিনি রাজপথে সংগঠনকে শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
আন্দোলন ও রাজপথের অভিজ্ঞতা: বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর ডাকা দেশব্যাপী আন্দোলন ও ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ; রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পিকেটিং, মিছিল ও গণসংযোগে নেতৃত্ব প্রদান; পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মধ্যেও সাহসিকতার সাথে মাঠে অবস্থান; তৃণমূল কর্মীদের সংগঠিত করে আন্দোলনের গতি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা; ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতেও কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন।
নেতৃত্বের সাথে সম্পৃক্ততা ও অভিজ্ঞতা: কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম আরিফ-এর মতো শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে সরাসরি মাঠপর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা; কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি ও আর্থিক সহযোগিতাসহ বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সম্মুখ সারিতে থেকে রাজপথে ছিলেন কেরামত মোল্লা ওরফে মোঃ আশা মোল্লা।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক আশা মোল্লা দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সাথে রাজপথে থাকার কারণে রাজনৈতিকভাবে আরও পরিপক্ব, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠছেন। নেতৃত্বের প্রতি আস্থা এবং কর্মীদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার সক্ষমতা তার অন্যতম শক্তি।
সামাজিক ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম: তরুণ সমাজকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন ও সংগঠিত করা, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি, স্থানীয় পর্যায়ে জনসেবা ও উন্নয়নমূলক কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ।
তার লক্ষ্য দল, দেশ ও জনগণের স্বার্থে সাহস, সততা ও নিষ্ঠার সাথে রাজনীতি করে যাওয়া এবং তৃণমূল থেকে শক্তিশালী ও আদর্শিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা—এটাই আশা মোল্লার মূল লক্ষ্য।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রেরণাদায়ী সম্পর্ক: লন্ডন প্রবাসী আরিফ বিল্লাহ নথ (খুলনা), খুলনা শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে আরিফ বিল্লাহ নথ দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ের রাজনীতি ও আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রাজপথের সংগ্রামের কঠিন বাস্তবতা তার অভিজ্ঞতায় পরিপূর্ণ, যা তাকে একজন অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর দেওয়া দিকনির্দেশনা ও ‘সাহস’ মূলত দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার বাস্তব প্রতিফলন।
শিকড়ের প্রতি দায়বদ্ধতা ও আদর্শিক অবস্থান: উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত কারণে বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করলেও তিনি নিজ এলাকা, সংগঠন এবং স্থানীয় তরুণ কর্মীদের প্রতি গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে কলেজ ও তৃণমূল পর্যায়ের নতুন নেতৃত্বের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা প্রমাণ করে যে, তিনি আদর্শিকভাবে নিজের শিকড়ের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে যুক্ত এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।
আন্দোলনে নৈতিক ও সাংগঠনিক সহায়তা: মিরপুর-১০ থেকে রামপুরা এবং পল্টন পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলনে তাঁর নৈতিক ও সাংগঠনিক সমর্থন কর্মীদের মনোবল বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে। অভিজ্ঞ একজন সাবেক নেতার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা আন্দোলনের গতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, যা তৃণমূল কর্মীদের আত্মবিশ্বাস আরও শক্তিশালী করেছে।
উপসংহার: মোঃ আশা মোল্লা ও তাঁর সঙ্গে যুক্ত অভিজ্ঞ নেতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সাংগঠনিক শক্তি তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক আন্দোলনকে আরও গতিশীল, সংগঠিত ও শক্তিশালী করেছে। এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়, বরং একটি আদর্শিক ও সংগ্রামী চেতনার ধারাবাহিকতা।
কেরামত মোল্লা ওরফে মোঃ আশা মোল্লা।
রাজনৈতিক জীবনবৃত্তান্ত: বর্তমান পদবি: রাজনৈতিক কর্মী, সংগঠন: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, এলাকা: তেরোখাদা, ছাগলাদা, খুলনা।
ব্যক্তিগত রাজনৈতিক পরিচিতি: মোঃ আশা মোল্লা একজন পরীক্ষিত, সাহসী ও ত্যাগী রাজনৈতিক কর্মী। তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন কর্মী হিসেবে দেশ ও জাতির স্বার্থে আগামীতে দলের সাথে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।