স্বাধীন সংবাদ খেলা:
শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩ উইকেট, আর পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল ১২১ রান। পঞ্চম দিনের সকালে পাকিস্তান কিছুটা ভালো শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বাংলাদেশ।
মাত্র ১২ বলের ব্যবধানে শেষ ৩ উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশ ৭৮ রানের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে। এর মধ্য দিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নেয় টাইগাররা এবং পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে গড়ে তোলে নতুন ইতিহাস।
বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে এটি একটি বিশেষ অর্জন। একাধিক ম্যাচের সিরিজে একই প্রতিপক্ষকে একাধিকবার হোয়াইটওয়াশ করার নজির এবারই প্রথম স্থাপন করল বাংলাদেশ। আগে এমন কীর্তি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও ছিল না।
দিনের শুরুটা সহজ ছিল না বাংলাদেশের জন্য। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ রিজওয়ান উইকেটে স্থির হয়ে খেলছিলেন। তার সঙ্গে জুটি গড়েছিলেন সাজিদ খান। এই জুটি বাংলাদেশের জন্য কিছুটা চাপ তৈরি করে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভাঙে এই জুটি। নাহিদ রানার একটি বল খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন সাজিদ খান, যা প্রথমে সুযোগ হাতছাড়া হলেও পরবর্তীতে তাইজুল ইসলামই ব্রেকথ্রু এনে দেন।
পুরো সিরিজজুড়েই বল ও ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা তাইজুল ইসলাম আবারও দলকে সাফল্য এনে দেন। তার বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সাজিদ খান।
এরপর দ্রুতই পাকিস্তানের ইনিংস ভেঙে পড়ে। মোহাম্মদ রিজওয়ান শরিফুল ইসলামের বলে আউট হয়ে ফিরে যান। পরে খুররম শেহজাদ ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন।
শেষ পর্যন্ত ৭৮ রানের বড় জয়ে পাকিস্তানকে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ, যা দেশের টেস্ট ইতিহাসে এক স্মরণীয় অর্জন হিসেবে লেখা থাকবে।