কুমিল্লাকে স্বপ্নের নগরী গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নামলেন উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু

 

মোঃআনজার শাহ

কুমিল্লাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করলেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি কুমিল্লা গণপূর্ত অধিদপ্তরের তিনতলা ভবনে অবস্থিত কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অস্থায়ী কার্যালয় সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শন স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, নতুন নেতৃত্ব শুধু কাগজে-কলমে নয় মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকেই কুমিল্লার উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে বদ্ধপরিকর।

পরিদর্শনকালে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান কুমিল্লা শহরের চলমান ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় তিনি কুমিল্লা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ওসমান গণীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় করেন। আলোচনায় উঠে আসে কুমিল্লা শহরের পরিকল্পিত ও টেকসই উন্নয়ন, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি, নগর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনাসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ, ভিপি ওয়াসিম, কুমিল্লা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান হীরা এবং গণপূর্ত বিভাগের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত বক্তারা কুমিল্লাকে একটি আধুনিক ও জনবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু দৃঢ় কণ্ঠে বলেন,
“কুমিল্লা শুধু একটি শহর নয়, এটি লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বপ্ন, আশা ও ভবিষ্যতের ঠিকানা। এই নগরীকে পরিকল্পিত, আধুনিক ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনমুখী করতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা নিয়ে আমরা এমন একটি কুমিল্লা গড়তে চাই, যে কুমিল্লা নিয়ে এই মাটির মানুষ গর্ব করতে পারবেন।”

তাঁর এই প্রতিশ্রুতি ও কর্মস্পৃহা কুমিল্লার উন্নয়নকাঙ্ক্ষী নাগরিক মহলে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সামগ্রিকভাবে এই পরিদর্শন কুমিল্লার নগর উন্নয়নের ইতিহাসে একটি ইতিবাচক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *