সোলায়মান আজাদ ভূঁইয়া:
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাতে থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের সার্বিক নির্দেশনা ও নেতৃত্বে থানা পুলিশের একাধিক টিম পৃথকভাবে অভিযান পরিচালনা করে।
এর মধ্যে এসআই (নিরস্ত্র) আমিনুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে জোরারগঞ্জ থানার মামলা নং-০৫, তারিখ ৭ অক্টোবর ২০২৪-এর তদন্তের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন আসামি ইমাম হোসেন বাবু (৪০)-কে গ্রেপ্তার করেন। তিনি মৃত মুয়াজ্জেম হোসেন দিদারের ছেলে। বুধবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে জোরারগঞ্জ থানাধীন বারইয়ারহাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
অপরদিকে এসআই (নিরস্ত্র) হান্নান আল মামুন সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে জোরারগঞ্জ থানার মামলা নং-০১, তারিখ ১ জুলাই ২০২৬-এর এজাহারভুক্ত আসামি ফরহাদুল ইসলাম রিফাত (২০)-কে গ্রেপ্তার করেন। তিনি জয়নাল আবেদীনের ছেলে। রাত আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে জোরারগঞ্জ থানাধীন দুর্গাপুর ইউনিয়নের পূর্ব রায়পুর এলাকার আবুল কাশেমের বাড়ি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
এছাড়া একই রাতে এসআই হান্নান আল মামুন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নিয়মিত নাইট ডিউটির অংশ হিসেবে টহল পরিচালনাকালে করেরহাট ইউনিয়নের করেরহাট বাজার সংলগ্ন পাঁচতলা বিল্ডিং রোডের মুখ এলাকায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় আরও দুইজনকে আটক করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— আলিম উল্লা (২৪), পিতা মৃত মোহাম্মদ উল্লাহ, গ্রামের বাড়ি ছত্তরুয়া, করেরহাট ইউনিয়ন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস (২৪), পিতা আব্দুল হালিম, গ্রামের বাড়ি উন্দানিয়া, কানকিরহাট, সেনবাগ, নোয়াখালী।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে জনবহুল স্থানে উচ্চস্বরে হট্টগোল ও চিৎকার করে জনউপদ্রব সৃষ্টি করার অভিযোগে পেনাল কোডের ২৯০ ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত চার আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।