Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
সীতাকুণ্ডে বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

সীতাকুণ্ডে বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

কামরুল ইসলাম:

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে মহাসড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন পরিবহন মালিক ও চালকরা। তাদের দাবি, মাসিক মাসোয়ারার নামে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়ির কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে চালকদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

পরিবহন চালকদের অভিযোগ, সকাল, দুপুর, বিকেল ও রাতে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়মিত চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দাবি করা হয়। আর কাগজপত্রে কোনো ত্রুটি থাকলে অর্থের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। বিশেষ করে ত্রিচক্রযান চলাচলের ক্ষেত্রে আগে থেকেই মাসিক চুক্তির আওতায় না এলে গাড়ি আটক করে মামলা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন চালকরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিদিন পালাক্রমে বাঁশবাড়ীয়া, মগপুকুর, কদমরসুল ও ভাটিয়ারীসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে হাইওয়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়। সেখানে কয়েকটি গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হলেও তুলনামূলক বেশি সংখ্যক গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়। মামলা এড়াতে অনেক চালক ঘটনাস্থলেই টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা অবৈধভাবে আদায় করা হচ্ছে বলে দাবি করেন কয়েকজন পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

গত রোববার সকালে সীতাকুণ্ডের মগপুকুর এলাকায় সরেজমিনে হাইওয়ে পুলিশের একটি দলকে সড়কে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। এ সময় এক ট্রাকচালকের কাছ থেকে এক কনস্টেবলকে টাকা নিতে দেখা গেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

ট্রাকচালক হামিদ ইসলাম বলেন, “গাড়ির কাগজপত্র ঠিক থাকলেও চা-নাস্তার কথা বলে টাকা দাবি করে পুলিশ। টাকা না দিলে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হক বলেন, “হাইওয়ে পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করে সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *