কামরুল ইসলাম:
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জায়েদ নুরের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে পাঁচটি সাজা এবং সাতটি আদালতের পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা ওই আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ জায়েদ নুরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেন এসআই মো. সাইফুল ইসলাম, এএসআই সোহেল আহমেদ, এএসআই রিগান চাকমা, এএসআই হেলাল হোসেন এবং সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানার ভাটিয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ আমান উল্লাহ (পিতা: নুরুল আলম), সাং- ৯৫২, ওসমান মঞ্জিল, আসাদগঞ্জ, কোতোয়ালী, চট্টগ্রামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে একাধিক আদালতের সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর ছিল। এর মধ্যে দায়রা মামলা নং-৫২৪৫/২৩ এবং সিআর মামলা নং-১২০১/২০ (কোতোয়ালী), এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থজারি মোকদ্দমা নং-১০০০/২৫-এ ছয় মাসের দেওয়ানি আটকাদেশ, এছাড়া সিআর-১২০১/২০ ও সিআর-১৯৫৩/২০ (কোতোয়ালী)-এর দুটি সাজা এবং দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
এছাড়া গ্রেপ্তারের পর আসামির তথ্য সিডিএমএস (CDMS)-এ যাচাই করে দেখা যায়, তার বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় আরও তিনটি সিআর সাজা ওয়ারেন্ট মূলতবি রয়েছে। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে পাঁচটি সাজা ও সাতটি আদালতের পরোয়ানা কার্যকর ছিল বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
কোতোয়ালী থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং আদালতের পরোয়ানা দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।