মোঃআনজার শাহ
দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসনের সুযোগ নিশ্চিত করতে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করার সুযোগ চেয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এমপি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে উন্নত, আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণের প্রত্যয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে আরও গতিশীল করে মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের এই প্রত্যাশা আন্তরিক আবেদন হিসেবে তুলে ধরে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, “দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসনের সুযোগ নিশ্চিত করতে আমরা যেন আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ পাই।”
মন্ত্রীর এই বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে দেশের সাধারণ মানুষের আবাসন-নিরাপত্তা নিশ্চিতের একটি বৃহৎ প্রত্যাশা। নাগরিক জীবনের অন্যতম মৌলিক প্রয়োজন আবাসনকে আরও সহজলভ্য, নিরাপদ ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
জাকারিয়া তাহের সুমনের এই প্রত্যাশা শুধু একটি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের দাবি নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের অসংখ্য মানুষের নিরাপদ বাসস্থানের স্বপ্ন। একটি পরিবার যখন নিজের একটি নিরাপদ ঠিকানা পায়, তখন সেই ঠিকানাই হয়ে ওঠে তাদের স্বস্তি, স্থিতি ও ভবিষ্যৎ গড়ার ভিত্তি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে উন্নত, আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে আরও কার্যকর ভূমিকায় দেখতে চান জাকারিয়া তাহের সুমন। তাঁর লক্ষ্য সরকারি সেবাকে দাপ্তরিক পরিসরে সীমাবদ্ধ না রেখে তা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং আবাসন খাতের সুবিধা আরও বিস্তৃত করা।
বিশেষত নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের আবাসন-চাহিদা পূরণ, নিরাপদ নগরায়ণ, পরিকল্পিত আবাসিক ব্যবস্থা এবং জনবান্ধব গৃহায়ণ উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের মতে, নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত হলে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি একটি পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথও সুগম হবে।
গৃহায়ণমন্ত্রীর এই আন্তরিক আবেদনের কেন্দ্রে আছে একটি বৃহত্তর স্বপ্ন দেশের কোনো মানুষ যেন নিরাপদ আবাসনের প্রত্যাশা থেকে বঞ্চিত না হন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকারের নীতিগত সহায়তা, পর্যাপ্ত সুযোগ ও কার্যকর উদ্যোগের সমন্বয় ঘটাতে চান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কার্যকর ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশাই এখন সামনে এসেছে। সেই প্রত্যাশার সঙ্গে উচ্চারিত হয়েছে একটি সহজ অথচ গভীর আকাঙ্ক্ষা নিরাপদ আবাসন হোক প্রতিটি মানুষের অধিকার, প্রতিটি পরিবারের ঠিকানা হোক নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ।
উন্নয়ন, মানবিকতা ও নিরাপদ আবাসনের পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক এই প্রত্যয়েই প্রধানমন্ত্রীর কাছে গৃহায়ণমন্ত্রীর এই আন্তরিক আবেদন নতুন আশার বার্তা হয়ে উঠেছে।