স্টাফ রিপোর্টার:
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি গার্লস পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মেধা, মন ও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোঃ ইব্রাহিম। ফটিকছড়ি গার্লস পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ নাজিম উদ্দিন শাহিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নানুপুর আবু সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মির্জা মোহাম্মদ আকবর, ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন কাঞ্চন, রাঙ্গামাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, খিরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি এম মুনসুর আলম চৌধুরী, ফটিকছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ডাঃ মোঃ সেলিম রাজা, ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল আলম খান, ফটিকছড়ি গার্লস পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক প্রতিনিধি ও ফটিকছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু এখলাস ঝিনুক, ফটিকছড়ি উপজেলা একাডেমির সুপারভাইজার আকরাম হোসেন এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মোঃ আবুল কালাম আজাদ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সৈয়দ মোহাম্মদ গোফরান উদ্দিন ফরহাদ। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষাক্ষেত্রে কৃতিত্ব ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি আয়োজিত সাংস্কৃতিক পর্বে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার সুযোগ পায়।
বক্তারা বলেন, সংস্কৃতি মানুষের মন, মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশীয় ঐতিহ্য, নৈতিকতা ও মানসিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে সাংস্কৃতিক চর্চার বিকল্প নেই। পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার পাশাপাশি গান, নৃত্য, আবৃত্তি ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটায়। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সংস্কৃতিমনা, সৃজনশীল ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা মত প্রকাশ করেন।