মোঃ আনজার শাহ
মানুষের সেবায় নিবেদিত এক প্রয়াত জনপ্রতিনিধির স্মৃতিবিজড়িত প্রতিষ্ঠানে এবার এলেন তাঁরই পরিবারের সদস্য। কুমিল্লার বরুড়ায় অবস্থিত এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম ও চিকিৎসাসেবার খোঁজখবর নিতে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেছেন প্রয়াত এ কে এম আবু তাহেরের ছোট ছেলের স্ত্রী নাহরীন ইয়াহিয়া (তাহের)।
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক পরিস্থিতি, চিকিৎসাসেবার পরিবেশ এবং রোগীদের সেবাদানের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
গতকাল হাসপাতাল পরিদর্শনকালে নাহরীন ইয়াহিয়া (তাহের) হাসপাতালের বিদ্যমান কার্যক্রম, সেবার মান এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পরিবেশ সম্পর্কে অবহিত হন। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক অবস্থা নিজে পর্যবেক্ষণ করেন।
হাসপাতালের সেবাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে রোগীদের সুবিধা-অসুবিধা এবং চিকিৎসাসেবার চলমান বাস্তবতা সম্পর্কেও ধারণা নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এ কে এম আবু তাহের ছিলেন বরুড়ার একজন পরিচিত রাজনীতিবিদ, শিল্পোদ্যোক্তা ও সমাজসেবক। জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তাঁর অবদান স্থানীয়ভাবে স্মরণীয়।
তাঁর নামাঙ্কিত এ হাসপাতালটি বরুড়া অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবার সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। হাসপাতাল পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে নাহরীন ইয়াহিয়া (তাহের) প্রতিষ্ঠানটির প্রতি তাঁর পরিবারের সম্পৃক্ততা ও জনসেবার উত্তরাধিকারের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালের কার্যক্রম, চিকিৎসার পরিবেশ এবং রোগীদের সেবার মান বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ ধরনের পরিদর্শন হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা লাভ এবং জনস্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ কে এম আবু তাহের ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি বরুড়া অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা, হাসপাতালটির সেবার পরিবেশ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিক উন্নয়ন ঘটুক।
তাঁরা মনে করেন, প্রতিষ্ঠানটির সেবার মান আরও উন্নত হলে বরুড়ার সাধারণ মানুষ সহজে ও মর্যাদার সঙ্গে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।