অর্থনীতি ডেস্ক:
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (৫ অক্টোবর) দেশের প্রধান মুদ্রাবাজারে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন চলছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রাজনৈতিক সংকট ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাবে আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা রয়েছে। এর প্রভাব বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারেও পড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আন্তঃব্যাংক লেনদেনে প্রতি মার্কিন ডলারের গড় বিক্রয় দর ১২৩ টাকা ৫ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে প্রতি ডলার কেনা হচ্ছে ১২২ টাকা ৯২ পয়সায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১২৩ টাকা ১৫ পয়সায়।
অন্যান্য মুদ্রার দর
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সোমবার প্রধান কয়েকটি বৈদেশিক মুদ্রার দরও নিম্নরূপ—
ইউরো: ক্রয় ১৩৮ টাকা ৩২ পয়সা, বিক্রয় ১৩৮ টাকা ৫৯ পয়সা।
ব্রিটিশ পাউন্ড: ক্রয় ১৬২ টাকা ৭৫ পয়সা, বিক্রয় ১৬৩ টাকা ৯ পয়সা।
ভারতীয় রুপি: ক্রয় ও বিক্রয় উভয়ই ১ টাকা ২৭ পয়সা।
চীনা ইউয়ান: ক্রয় ১৮ টাকা ৩২ পয়সা, বিক্রয় ১৮ টাকা ৩৬ পয়সা।
জাপানি ইয়েন: ক্রয় ০.৭৭ টাকা, বিক্রয় ০.৭৮ টাকা।
অস্ট্রেলীয় ডলার: ক্রয় ৮৫ টাকা ৪৬ পয়সা, বিক্রয় ৮৫ টাকা ৬৭ পয়সা।
সিঙ্গাপুরি ডলার: ক্রয় ৯৬ টাকা ৩ পয়সা, বিক্রয় ৯৬ টাকা ২৯ পয়সা।
খোলাবাজারে দরে ভিন্নতা
সাধারণত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত দরের তুলনায় খোলাবাজারে বৈদেশিক মুদ্রার দাম কিছুটা বেশি হতে পারে। চাহিদা ও জোগান, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর খোলাবাজারের মুদ্রার দর নির্ভর করে।
বৈদেশিক মুদ্রার দর ওঠানামার প্রভাব পড়ে আমদানি-রপ্তানি খাতেও। মুদ্রার দর বাড়লে আমদানি ব্যয় বেড়ে যেতে পারে, যার প্রভাব বিভিন্ন পণ্য ও সেবার দামের ওপর পড়তে পারে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিচালন ব্যয়ও বাড়ার আশঙ্কা থাকে।