মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী:
নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে থাকলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে যে দ্বন্দ্ব ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাতে বন্দরের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব ব্যর্থ হয়েছেন, সেই কঠিন ও স্পর্শকাতর দায়িত্বটি তিনি মাত্র ১০ মিনিটের আন্তরিক উদ্যোগেই সফলভাবে সম্পন্ন করে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাংগঠনিক দক্ষতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব শাহেনশা আহমেদ এবং তার ভাতিজা, একই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান ভুল বোঝাবুঝি ও দ্বন্দ্ব অবশেষে চূড়ান্তভাবে অবসান ঘটে অ্যাডভোকেট টিপুর বিচক্ষণ মধ্যস্থতায়। তার সুদূরপ্রসারী চিন্তা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং সংগঠনের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার মানসিকতার ফলে এই ঐতিহাসিক সমঝোতা সম্ভব হয়েছে বলে নেতাকর্মীরা মনে করছেন।
এই ঐক্য কেবল দুইজন নেতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এর ইতিবাচক প্রতিফলন পড়েছে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে। দীর্ঘদিনের বিভক্ত রাজনীতিতে যেখানে হতাশা ও দ্বন্দ্ব বিরাজ করছিল, সেখানে হঠাৎ করেই ফিরে এসেছে সৌহার্দ্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দলীয় ঐক্যের বার্তা।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও বন্দরবাসীরা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় হবে এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ে বন্দর থানা বিএনপি আরও ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে পারবে। অনেকেই এটিকে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন।
দলীয় ঐক্য পুনরুদ্ধার, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিরসন এবং রাজনীতিতে সৌহার্দ্য ফিরিয়ে আনার এই সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য বন্দরবাসীর মুখে মুখে আজ প্রশংসিত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নাম। নেতাকর্মীরা বলছেন, এমন নেতৃত্বই পারে রাজনীতিকে সংঘাতের পথ থেকে ঐক্যের পথে ফিরিয়ে আনতে।