মো. সাইদুল ইসলাম:
ঢাকার আশুলিয়ার ডিইপিজেড সংলগ্ন ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইউনিয়ন পরিষদের একটি অংশের বিভিন্ন সরঞ্জাম, আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। রোববার (১৬ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আগুনে ইউনিয়ন পরিষদের একটি জেনারেটর, চেয়ার, ফগার মেশিন, মশা নিধনের রাসায়নিক, ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার, ডেন্টার বক্স, সিসি ক্যামেরা, লাইটসহ বক্স এবং মেইন ইলেকট্রিক ডিবি বক্স পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া পরিষদের বিভিন্ন নথিপত্র ও আসবাবপত্রও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানা গেছে। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানানো হয়, অগ্নিকাণ্ডে একটি জেনারেটর, পাঁচটি চেয়ার, তিনটি ফগার মেশিন, ৪০ লিটার মশা নিধনের কেমিক্যাল, একটি ইলেকট্রিক হুইলচেয়ার, একটি ডেন্টার বক্স, ১০টি সিসি ক্যামেরা, ৩০টি লাইটসহ বক্স এবং একটি মেইন ইলেকট্রিক ডিবি বক্স পুড়ে গেছে। এসব সরঞ্জামের আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ ৬১ হাজার ৫০০ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।
ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার প্রণব চৌধুরী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের অন্যান্য কক্ষ নিরাপদ ছিল বলে জানা গেছে। আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ভোরে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন থেকে ধোঁয়া ও আগুন বের হতে দেখে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও সরকারি বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।