ইরাকের ইরবিলে আমেরিকার সব অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরাকের ইরবিলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামি-নিয়া বলেছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হামলায় মার্কিন ঘাঁটির একটি বড় অংশ কার্যক্ষমতা হারিয়েছে।

মেহর বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানায়, শনিবার রাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আকরামি-নিয়া বলেন, যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে অতীতের মতোই অভিযান চালাতে ইরান প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র যতদিন আগ্রাসনের মাধ্যমে ইরানি জনগণের ওপর নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে, ততদিন এই অভিযান চলবে।

ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আরও জানান, ৪০ দিনের যুদ্ধের শেষদিকে ইরান নতুন প্রজন্মের কয়েকটি ড্রোন মোতায়েন করেছে। তাঁর দাবি, বর্তমানে ব্যবহৃত ড্রোনগুলো ‘আরাশ-২’-এর চেয়েও উন্নত, যার ধ্বংসক্ষমতা, নির্ভুলতা এবং পাল্লা আরও বেশি। তবে নিরাপত্তার কারণে এসব ড্রোনের বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতির সময়কে কাজে লাগিয়ে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় সচল করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন কিছু সামরিক প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম যুক্ত হওয়ায় ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও বেড়েছে।

আকরামি-নিয়া দাবি করেন, নতুন সক্ষমতার কারণে ইরানের আকাশসীমা শত্রুপক্ষের জন্য আগের তুলনায় আরও বেশি অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বের কোনো দেশই শতভাগ নিরাপদ আকাশ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না। উদাহরণ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায় অতীতে অজ্ঞাত উড়োজাহাজ প্রবেশের ঘটনাও উল্লেখ করেন।

তবে ইরানের এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা স্বাধীন কোনো আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *