স্টাফ রিপোর্টার:
কলাবাগান থানা জিয়া মঞ্চের সভাপতি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম শান্তকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম শান্ত।
জানা গেছে, ছোট মান্নান দেওয়ান নামে এক ব্যক্তি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম শান্তকে নিয়ে একটি পোস্ট করেন। ওই পোস্টে জাতীয় শ্রমিক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের পূর্ণাঙ্গ কমিটির একটি কাগজের ছবি প্রকাশ করা হয়। সেখানে মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম শান্তকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে প্রকাশিত ওই কাগজটি যাচাই করে দেখা যায়, এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো সিল বা স্বাক্ষর নেই। এ কারণে কাগজটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং এটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তরিকুল ইসলাম শান্ত। তার অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্যই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।
মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম শান্ত বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নামে যে কমিটির কাগজ প্রচার করা হয়েছে, তার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি এ ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
তরিকুল ইসলাম শান্ত দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি কলাবাগান থানা জিয়া মঞ্চের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গত তিন বছর ধরে তিনি সংগঠনটির এ পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে তা রাজনৈতিকভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা বলে মনে করছেন তার অনুসারীরা।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ভুয়া নথি বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্যের সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কারও সুনাম ক্ষুণ্ন করার মতো তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
তরিকুল ইসলাম শান্তের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ওই কাগজের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত অপপ্রচারের অংশ। তিনি এ ধরনের মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।