স্টাফ রিপোর্টার:
কারিগরি অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিদর্শক বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকার সুযোগে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারী সূত্রের দাবি, একজন সরকারি কর্মচারীর স্বাভাবিক বেতন-ভাতা ও বৈধ আয়ের তুলনায় বেলায়েত হোসেনের সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিক। তার নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে জমি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিপুল সম্পদ রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসব সম্পদের উৎস নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গাজীপুরে তার একাধিক বিঘা জমি রয়েছে। এছাড়া রাজধানী ঢাকায় চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন মাত্রায় অংশীদারিত্ব রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কোনো প্রতিষ্ঠানে তার ৫০ শতাংশ, কোনো প্রতিষ্ঠানে ৬০ শতাংশ, কোনো প্রতিষ্ঠানে ৭০ শতাংশ এবং অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত অংশীদারিত্ব রয়েছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের নাম ও মালিকানার নথিপত্র এই প্রতিবেদকের হাতে আসেনি এবং অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির পাশাপাশি এত বড় ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য আচরণবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাদের মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তার সম্পদের উৎস, আয়কর নথি, সম্পদ বিবরণী এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করা উচিত।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তবে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসে এবং অভিযোগ সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
সুশাসন নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের মতে, সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা জরুরি। একই সঙ্গে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সুনামও রক্ষা করা উচিত।
এ বিষয়ে কারিগরি অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিদর্শক বেলায়েত হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে রাজি হননি। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আমি কোনো কথা বলব না।”
এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্যগুলো অভিযোগকারী সূত্রের দাবি ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করতে পারে।

অভিযোগ অনুযায়ী, বেলায়েত হোসেনের নামে ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে। বিশেষ করে গাজীপুরে তার একাধিক বিঘা জমি রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া রাজধানী ঢাকায় তার চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন মাত্রায় মালিকানা বা অংশীদারিত্ব রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কোনো প্রতিষ্ঠানে তার ৫০ শতাংশ, কোনোটিতে ৬০ শতাংশ, কোনোটিতে ৭০ শতাংশ এবং অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত অংশীদারিত্ব রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, একজন সরকারি কর্মকর্তার পরিচয়ের আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি চাকরির আয়ের সঙ্গে এসব সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আঞ্চলিক কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে বলেন, “আমি কোনো কথা বলবো না।”
অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।