মোঃআনজার শাহ
দারিদ্র্য বিমোচন, গ্রামীণ হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণ এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খোন্দকার মো. মোরতাজুল করিম বাদরু।
সাক্ষাৎকালে দেশের দারিদ্র্য বিমোচন, গ্রামীণ হতদরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, নারীর আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নসহ ফাউন্ডেশনের চলমান ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকারকে সামনে রেখে প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বাদরু।
তাঁর প্রত্যাশা, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৪ সালে দারিদ্র্য বিমোচন ও হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিষ্ঠানটি দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করে আসছে।
সম্প্রতি খোন্দকার মো. মোরতাজুল করিম (বাদরু)-কে ফাউন্ডেশনের সাধারণ পরিষদ ও পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফাউন্ডেশনের সহযোগী সংস্থাগুলো গাভি পালন, ছাগল বিতরণ, স্যানিটেশন ও মাদক নিরাময়সহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছে।
মানবকল্যাণ, দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের উন্নয়ন অভিযাত্রার সহযোগী হিসেবে নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন।
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে এ সাক্ষাৎ দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমে সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা আরও জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রত্যাশা, এই সমন্বিত উদ্যোগ প্রান্তিক মানুষের জীবনে বয়ে আনবে টেকসই পরিবর্তন ও নতুন সম্ভাবনার আলো।