জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক:
জাপানের নাগোয়ায় বৃষ্টি যেন পিছু ছাড়ছে না বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। বৃষ্টির কারণে সকালে নির্ধারিত অনুশীলন সেশন পিছিয়ে দুপুর দেড়টায় নেওয়া হয়। তবে বৃষ্টির কারণে করোগি স্টেডিয়ামের মূল মাঠে ঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারেনি বাংলাদেশ দল। পরে নেটে ব্যাটিং ও ফিল্ডিং অনুশীলন করে সময় কাটান ক্রিকেটাররা।
শান্ত-লিটনদের অনুশীলনের শেষ দিকে আবারও বৃষ্টি নামে। সেই বৃষ্টি উপেক্ষা করেই পরে স্টেডিয়ামে অ্যান্টি করাপশন ক্লাসে অংশ নেন ক্রিকেটাররা। ক্লাসে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ সালাহউদ্দিন গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন।
বৃষ্টির সঙ্গে ক্রিকেটের বৈরিতা অনেক পুরোনো। বাংলাদেশ নারী দলও বৃষ্টির কারণে ঠিকভাবে অনুশীলন করতে পারেনি। পুরুষ দলকেও একই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এ বিষয়ে কোচ সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত, এখানে সেরকম সুযোগ-সুবিধা থাকবে না।’
এশিয়ান গেমসে ভারত ও বাংলাদেশই প্রকৃত জাতীয় দল পাঠিয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। ফলে ফাইনালের আগে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ নেই বাংলাদেশের। তবে এখনই বাংলাদেশের একটি পদক নিশ্চিত—এমন ভাবনা রাখতে চান না কোচ।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘আমরা আগে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে খেলতে চাই। ম্যাচটা খেলা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ৮-১০ দিন না খেলে বড় ম্যাচে নামা সহজ নয়।’
বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। ২০২৩ সালের হাংজু এশিয়ান গেমসে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে কোনোমতে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। তাই এবার প্রতিপক্ষকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন কোচ সালাহউদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘গতবারের ম্যাচ সম্পর্কে আমি জানি। মালয়েশিয়ায় আমি কাজও করেছি। কিছুদিন আগে তারা বাংলাদেশেও গিয়েছিল। সেই দল থেকে আরও ২-৩ জন যোগ হয়েছে হয়তো। আমরা মালয়েশিয়াকে গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছি।’
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল পদক হারিয়েছে। এখন পুরুষ দলের দিকে সবার প্রত্যাশা। নারী দলের পদক হারানোর কারণে পুরুষ দল বাড়তি চাপে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘এরকম চাপ নিতেই হবে এই পেশায়। সবাই এটা নিতে অভ্যস্ত। বাংলাদেশের জন্য একটি পদক অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’
বাংলাদেশ দল বছরে অনেক ম্যাচ খেললেও এশিয়ান গেমসের মতো আসর কয়েক বছর পরপর আসে। আইসিসির টুর্নামেন্টের সঙ্গে গেমসের আবহ তুলনা করতে গিয়ে কোচ সালাহউদ্দিন বলেন, ‘ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চেয়ে অবশ্যই এখানে ফোকাস বেশি। এখানে সব খেলার সব মানুষ ফলো করে।’