সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
তালায় সাংবাদিকদের নির্যাতন, মানহানি, হুমকি ও জেল-জুলুমের প্রতিবাদে ৪ মার্চ বুধবার সকাল ১০টায় তালা উপজেলা পরিষদের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পাটকেলঘাটা টাওয়ার রোডে ভিপি সম্পত্তি ১/১ গোপাল সেলুন নামে একজন ডিসিআর নিয়ে দীর্ঘদিন ভোগদখল করে পরবর্তীতে রাখি বস্ত্রালয়ের স্বত্বাধিকারী নিরঞ্জন দাশের কাছে দখল সূত্রে ১৮ লক্ষ টাকায় বিক্রয় করে। যেটা সম্পূর্ণ রাষ্ট্রবিরোধী কাজের মধ্যে পড়ে। সেই জমিতে এসিল্যান্ড ও নায়েবকে ম্যানেজ করে দোকানঘর তৈরি করার সময় সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে মব সৃষ্টি করে মীর জামালের নেতৃত্বে শারীরিকভাবে হেনস্থা ও মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করা হয়।
পাটকেলঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ ৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে দুইজন সাংবাদিক—দৈনিক সোনালী কণ্ঠের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি মাসুদ হাসান মনি ও সাতক্ষীরা সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠান এবং পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঘটনাস্থলে না থাকলেও আরও দুই সাংবাদিকসহ মোট চারজনের নামে একটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন চাঁদাবাজি মামলা করা হয়।
সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা করার পরও কোনো অদৃশ্য শক্তির বলে নিরঞ্জন দাস সেখানে দোকানঘর নির্মাণ করে। আজ সাংবাদিক সমাজের একটাই দাবি—২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই অবৈধ দোকান যদি ভেঙে দেওয়া না হয়, তাহলে সাংবাদিকরা আরও কঠোর সংগ্রামে যেতে বাধ্য হবে। একই সঙ্গে যে চারজন সাংবাদিকের নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মামলা দেওয়া হয়েছে, তাদের বেকসুর খালাস দিতে হবে এবং যারা মব সৃষ্টি করে সাংবাদিকদের মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেছে, তাদেরও আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।
উক্ত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আকবর হোসেন, তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি এশিয়ান টিভির সাংবাদিক শামীম খান, তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাঈদুর রহমান সাইদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হাকিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফারুক জোয়ার্দার, এম এ ফয়সাল ও জাহাঙ্গীর; পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল মমিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আলম, অর্থ সম্পাদক আতাউর রহমান, মাগফুর রহমান জান্টু ও আব্দুল মতিন; সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য সানজিদুল হক; তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ জমির উদ্দিন ও নাজমুল হোসেনসহ অসংখ্য সাংবাদিকবৃন্দ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।