
শামীম :
সোশ্যাল মিডিয়ার সকলে শুভাকাঙ্ক্ষী বন্ধুরা ইতিমধ্যেই আপনাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে যে গত…২৯ জুন সোমবার কথিত গণমাধ্যম কর্মী গোপাল হাওলাদার এর সাথে আমার কিছু কথোপকথন হয়, যা ছিলো পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো এবং বিভ্রান্তিকর। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ফেইজবুক আইডিতে ছড়িয়ে আমাকে সমাজিক ভাবে হেনেস্তা করাই ছিলো তার মুল উদেশ্য।
প্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার বন্ধুরা,
মূল বিষয় হলো ( ১৬’ই মে) ২০২৬ইং আমরা গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছিলাম যে, গভীর রাতে নিজ দেশের শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথ দিয়ে মায়ানমার থেকে আসা বিপুল পরিমান পরিমানের সুপারি আসছে। খবর টি নিশ্চিত হওয়ার পরেই আমি পটুয়াখালী কোস্ট গার্ড কে তথ্যটি অবহিত করি।
এবং আমার দেয়া তথ্য অনুযায়ী (১৬ মে) ভোর থেকে অভিযান চালিয়ে সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার হেতালিয়া বাঁধঘাট সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন পটুয়াখালীর সদস্যরা বিশেষ এ অভিযান পরিচালনা করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মায়ানমার থেকে আসা দুই কোটি টাকার অবৈধ সুপারি জব্দ সহ ৬ জনকে জেল জরিমানা করা হয়। যা ঐ দিন ছিলো টপ অব দা নিউজ। এক পর্যায়ে তথ্য দাতা আমার নাম ছড়িয়ে পরলে আমি অবৈধ চোরা কারবারিদের পথের কাটা হয়ে যাই। এবং বিভিন্ন অজ্ঞত জনের বিভিন্ন ইশারায় হুমকি ধামকি চলমান থাকলেও আমি কোন প্রতিবাদ করি নাই।
ঘটনার ঐদিন সহকর্মীদের ডাকে পটুয়াখালী চৌরাস্তায় একত্রিত হয়েছিলাম এবং সাংবাদিকতা বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনার এক সময়ে, কথিত সাংবাদিক গোপাল হাওলাদার বিভিন্ন অবৈধ চোরা কারবারিদের পক্ষ হয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে সহকর্মী হিসেবে দূর থেকে আমাকে টার্গেট করে সাজানো নাটক সাজিয়ে হঠাৎ করে আমার সামনে এসে এলোমেলো প্রশ্ন করতে থাকে, যা একেবারেই অবান্তর এবং বিভ্রান্তি কর, যা আমি কখনোই প্রস্তুত ছিলাম না।
কথোপকথন এর এক পর্যায়ে কথিত সাংবাদিক গোপাল হাওলাদার আমার সামনে বার বার মাইক্রোফোন ধরে আমাকে বিব্রত করে শতভাগ চেষ্টা চালিয়ে চোরা কারবারিদের পক্ষ হয়ে এক পর্যায়ে আমাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করার সফল হন। এবং পরবর্তীতে আমার নিজের টাকা গোনানোর ভিডিও সংযুক্ত করে সোশ্যাল মিডিয়াতে আমার এবং আমার পরিবারকে সামাজের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।
এ ঘটনায় আমার পরিবার আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব সমাজিক ভাবে দারুণ হেনেস্তার শিকার হলেও আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে সকল পরিকল্পিত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই। পাশাপাশি যারা দেশের হয়ে সাংবাদিকতার আড়ালে চোরা কারবারিদের এজেন্ট হয়ে নিজেকে হিরো বানিয়ে দেশের শত শত কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও আইনী পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানাচ্ছি ।
আমি জানি হয়তো অনেকেই আমার এই প্রতিরাদকে অনেকেই’ হয়তো নেতিবাচক হিসেবে দেখবেন, তবে এটাও বিশ্বাস করি যে, সমাজের বিবেকবান মানুষও বিবেচনায় নিবেন।