স্পোর্টস ডেস্ক:
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ার ঘটনায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে তার টানাপোড়েনের বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে দেশটির ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এবার ঘটনাটি পৌঁছেছে পর্তুগালের রাজনৈতিক অঙ্গনের শীর্ষ পর্যায়েও।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে মাদ্রিদের উদ্দেশে রওনা হন রোনালদো। এর আগে নরওয়ের বিপক্ষে পর্তুগালের সর্বশেষ ম্যাচে পুরো সময় বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছিল তাকে। ম্যাচটি অবশ্য ২-১ গোলে জিতেছিল পর্তুগাল।
নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের পর দলের অনুশীলনেও অংশ নেননি রোনালদো। পরে কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। ওই বৈঠকের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের আগে কোচের বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে জেসুস জানান, দলের কৌশলগত সিদ্ধান্তে কোনো খেলোয়াড় প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন না। এমনকি ফুটবলের বাইরের কেউও তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে পারবেন না বলে স্পষ্ট করেন পর্তুগাল কোচ।
এর পরই জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়েন রোনালদো। বিষয়টি নিয়ে পর্তুগালের সংবাদমাধ্যমেও শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
পর্তুগালের সংবাদপত্র ‘রেকর্ড’-এর বরাত দিয়ে গোল ডটকম জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পেদ্রো প্রোয়েনসার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। রোনালদোর ক্যাম্প ছাড়ার বিষয়টি নিয়ে কোচ জেসুসের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করতেই প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্টেনেগ্রোর সঙ্গে কোচ জেসুসের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। সে কারণে পরিস্থিতি নিয়ে জেসুসের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী।
এদিকে পর্তুগালের টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ‘এসআইসি’ দাবি করেছে, প্রধানমন্ত্রী মন্টেনেগ্রো রোনালদোর সঙ্গেও সরাসরি যোগাযোগ করেছেন। তবে তাদের মধ্যে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সেই যোগাযোগের ফলাফল কী—এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।