Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
শ্যামলীর একাধিক আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

শ্যামলীর একাধিক আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজধানীর শ্যামলী এলাকার একাধিক আবাসিক হোটেলে হোটেল ব্যবসার আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে—এমন অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশের পক্ষ থেকে উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, দিনের তুলনায় রাতের বেলায় এসব হোটেলে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের আনাগোনা বেড়ে যায় এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়, যা এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও নিরাপত্তাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই কিছু আবাসিক হোটেলে পরিচয় যাচাই ও প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। তাদের দাবি, এই সুযোগে অসাধু চক্র হোটেলগুলোকে ব্যবহার করে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে।

অভিযোগে যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— হোটেল মিড গার্ডেন, রাজ ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক, হোটেল সিকদার-২, শিপলা আবাসিক হোটেল, হোটেল মডার্ন আবাসিক, উত্তরবঙ্গ আবাসিক হোটেল, হোটেল গ্রিন ভিউ এবং হোটেল স্কাই টাচ ইন আবাসিক।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গভীর রাত পর্যন্ত এসব হোটেলে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের আসা-যাওয়া অব্যাহত থাকে। অনেক ক্ষেত্রে তাদের পরিচয় যাচাই বা যথাযথ নিবন্ধন করা হয় কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও কার্যকর নজরদারির অভাবে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, আবাসিক হোটেল পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করা জরুরি। অতিথিদের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই, সঠিক রেজিস্টার সংরক্ষণ, সিসিটিভি নজরদারি এবং নিয়মিত প্রশাসনিক তদারকি থাকলে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং অনিয়ম প্রতিরোধ সহজ হবে।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পর্যটন ও হোটেল-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে কেউ অনিয়মে জড়িত থাকলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে যারা বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, তাদেরও যেন অযথা হয়রানির শিকার হতে না হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *