সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন ঝালকাঠির জেবা আমিন খান, নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস

ঝালকাঠী জেলা প্রতিনিধি:

ঝালকাঠিসহ সারাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন তালিকা। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়, যেখানে জায়গা পেয়েছেন ঝালকাঠি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য ঝালকাঠি-২ (সদর-নলছিটি) আসন থেকে ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেবা আমিন খান। ঝালকাঠির রাজনীতিতে সক্রিয়তার পাশাপাশি জেবা আমিন খান বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ঢাকার রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনের এই তালিকায় অভিজ্ঞ ও সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রার্থীদের চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

প্রকাশিত তালিকায় আরও যেসব নেত্রীর নাম উঠে এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হীরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরীসহ আরও অনেকেই। পাশাপাশি মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানার নামও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

বিশেষ করে ঝালকাঠির জেবা আমিন খানের মনোনয়ন স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে। জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশে থেকে দলকে আরও শক্তিশালী করবেন।

বিএনপি নেতারা বলছেন, সংসদে নারীর অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো এবং কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করতেই এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে আসন্ন জাতীয় সংসদে নারী নেতৃত্বের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান হবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

এখন দেখার বিষয়, এই মনোনীত নেত্রীরা জাতীয় রাজনীতিতে কী ধরনের ভূমিকা রাখেন এবং দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে কতটা অবদান রাখতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *