আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
ভিডিওতে সালাম দেওয়া, ‘ইনশাআল্লাহ’ ও ‘জাযাকাল্লাহ’ শব্দ ব্যবহার করায় ভারতের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মর্যাদার এক নারী পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি করার ঘটনা ঘটেছে। দেশটির অন্যতম কঠিন পরীক্ষা আইপিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পুলিশে যোগ দেওয়া ওই কর্মকর্তার নাম বুশরা বানু।
তিনি পশ্চিমবঙ্গের খড়গপুরে এসপি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ১২ সেপ্টেম্বর আইপিএস পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি ভিডিও বার্তা দেন বুশরা বানু। ওই ভিডিওতে তিনি ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে বক্তব্য শুরু করেন। বক্তব্যের মাঝে ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহার করেন এবং শেষে ‘জাযাকাল্লাহ’ বলেন।
এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় ‘হিন্দু লিগ্যাল ফান্ড’ নামে একটি সংগঠন। এরপর তাকে অতিরিক্ত এসপির পদ থেকে আর্মড পুলিশের ডেপুটি কমান্ড্যান্ট হিসেবে বদলি করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
মাইক্রোব্লগিং সাইট এক্সে ‘হিন্দু লিগ্যাল ফান্ড’ বুশরা বানুর ওই ভিডিওর সমালোচনা করে। সংগঠনটি প্রশ্ন তোলে, তিনি তার বক্তব্যে কেন ‘জয় হিন্দ’ ও ‘বন্দে মাতরম’ শব্দ ব্যবহার করেননি।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা বুশরা বানুর ভিডিও সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের হোম সেক্রেটারিকে অবহিত করেছে। অভিযোগে তারা উল্লেখ করে, তিনি বক্তব্য শুরু করেছেন ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে, বক্তব্যের মাঝে ‘ইনশাআল্লাহ’ ব্যবহার করেছেন এবং শেষে ‘জাযাকাল্লাহ’ বলেছেন। তবে বক্তব্যে ‘বন্দে মাতরম’ বা ‘জয় হিন্দ’ ব্যবহার করেননি।
সংগঠনটির দাবি, ভারতের একজন কর্মরত কর্মকর্তা হিসেবে তার নিরপেক্ষ থাকা উচিত এবং জনগণের সঙ্গে কথা বলার সময় জাতীয় শব্দ ব্যবহার করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তারা তার বক্তব্য ভালোভাবে পর্যালোচনারও দাবি জানিয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া