আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সৌদি আরবের বন্দরনগরী ইয়ানবুর তেল স্থাপনা ও খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা। চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব হিসেবে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী জানিয়েছে, ‘কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম হামলায় ইয়ানবুর আরামকোর অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। মহান আল্লাহকে ধন্যবাদ, এই হামলা ছিল নিখুঁত ও সরাসরি। হামলার পর আরামকোর অবকাঠামোতে বড় ধরনের আগুন ধরে যায়। এর ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’হুথিরা আরও জানায়, ‘দ্বিতীয় হামলায় খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এখানেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। মহান আল্লাহকে ধন্যবাদ, এই হামলাও ছিল নিখুঁত।’গত সপ্তাহে রক্তক্ষয়ী অভিযান চালিয়ে ইয়েমেনের লোহিত সাগরের বন্দরনগরী মোখা দখল করে হুথি বিদ্রোহীরা। মোখার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ বাব এল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়।এরপর ওমানের রাজধানী মাস্কাটে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি সূত্রের বরাতে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।প্রকাশ্যে ঘোষণা না দেওয়া ওই বৈঠকটি মাস্কাটে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়। এতে মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান সহায়তা করেছে।এএফপি জানিয়েছে, বৈঠকটি হয় গত রোববার। সেখানে হুথিরা মার্কিন প্রতিনিধিদের জানায়, লোহিত সাগরে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজে হামলার পরিকল্পনা তাদের নেই। ইসরায়েলি জাহাজেও হামলা চালানো হবে না।তবে কোনো জাহাজ সৌদি আরবের হলে অথবা সৌদির পণ্য পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত থাকলে সেটিকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে হুথিরা।