মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খোকন:
ইতিহাসের কিছু দিন কেবল ক্যালেন্ডারের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকে না; হয়ে ওঠে একটি জাতির আত্মপরিচয়, ঐক্য ও দেশপ্রেমের স্মারক। তেমনি ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। দিনটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের চেতনা স্মরণ করিয়ে দেয়। অতীতের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কক্সবাজারে পালিত হয়েছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন এলাকার ইমাম ও খতিবদের উপস্থিতিতে এক ভাবগম্ভীর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কোনো বিকল্প নেই। ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে, যাতে তারা দেশের ইতিহাস, আত্মত্যাগ ও জাতীয় চেতনা সম্পর্কে জানতে পারে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কক্সবাজার জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আহমদ (উজ্জ্বল)।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কক্সবাজারের উপপরিচালক মো. সরওয়ার আকবরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন রাজস্ব ফিল্ড সুপার সাইফুদ্দিন খালেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন ফিল্ড অফিসার ফজল করিম।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, একটি দেশের প্রকৃত শক্তি তার জনগণের ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও দেশপ্রেমের মধ্যে নিহিত। মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে দেশের স্বার্থ ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক এ দিবসের অঙ্গীকার।
অনুষ্ঠানে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকার বিপুলসংখ্যক ইমাম ও খতিবসহ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।