আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
জর্ডানের আল-আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক বিমান ঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। হামলায় ঘাঁটির বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা এবং যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে তেহরান।
শনিবার (১৮ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান রাখার হ্যাঙ্গার (শেল্টার) এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে অন্তত দুটি অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং আরও কয়েকটি ফাইটার জেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা।
তবে এ দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডান সরকার এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। হামলায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়েও স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হামলার পাশাপাশি জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিও একটি বার্তা দিয়েছে আইআরজিসি। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের দৃষ্টিতে ‘আগ্রাসী বিদেশি সামরিক বাহিনী’ বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু। একই সঙ্গে জর্ডানের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন বাহিনীকে সরিয়ে দিতে দেশটির সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, বিদেশি সামরিক উপস্থিতি বন্ধ করা এবং জর্ডানের ভূখণ্ডকে ‘মুক্ত’ করা দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব।
এর আগে সৌদি আরবে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করেও দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছিল ইরান।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এর জেরে একের পর এক সামরিক হামলা ও পাল্টা হামলার দাবি সামনে আসছে। তবে উভয় পক্ষের অনেক দাবিই স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আল জাজিরা