জামায়াতের আমির-নাহিদ ইসলামের আহ্বানে সাড়া নেই: রাশেদ

অনলাইন ডেস্ক:

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের আহ্বানে জাতি সাড়া দিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাশেদ খান বলেন, জামায়াতের আমির গত লংমার্চে বলেছিলেন, জাতির প্রয়োজনে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হতে পারে। আর ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ থেকে তিনি বলেছেন, জাতির প্রয়োজনে আট দফাও এক দফায় পরিণত হতে পারে। এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, জাতির প্রয়োজনে কখন ছয় দফা আট দফায় পরিণত হলো, সেটি জনগণ জানে কি না।

রাশেদ খানের দাবি, যে নেতা নিজের দাবি-দাওয়া ঠিক করতে পারেন না, তিনি শুধু জামায়াতের নেতাকর্মীদের নেতা হতে পারেন, সমগ্র জাতির নেতা হতে পারেন না।

এনসিপির কর্মসূচি প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, লংমার্চে জনগণ কেমন সাড়া দেবে, তা আগের দিনের কর্মসূচি থেকেই মোটামুটি বোঝা গেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ছুটির দিনে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এনসিপি আয়োজিত কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের তুলনায় সাংবাদিকদের উপস্থিতি বেশি ছিল বলে তার মনে হয়েছে।

তিনি প্রশ্ন করেন, কোনো বাধা না থাকার পরও কেন সাধারণ মানুষ ওই কর্মসূচিতে সাড়া দিচ্ছে না, সেই কারণ এনসিপি কখনো অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেছে কি না।

রাশেদ খান আরও বলেন, জনগণ ভুলে যায়নি যে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম নির্বাচনের আগে বলেছিলেন, জামায়াতের নেতৃত্বকে দেশের জনগণ কখনোই গ্রহণ করবে না। কিন্তু পরবর্তীতে নাহিদ ইসলাম জামায়াতের আমিরের নেতৃত্ব গ্রহণ করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তার দাবি, নাহিদ ইসলাম জামায়াতের আমিরের নেতৃত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই দুই নেতার কারও আহ্বানেই জাতি আর সাড়া দিচ্ছে না।

এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তিনি বলেন, আট দফা নয়, প্রয়োজন হলে তা আরও বাড়তে পারে এবং জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।

অন্যদিকে, একই লংমার্চ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়েছেন।

রাশেদ খানের বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে পৃথক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *