টঙ্গী প্রতিনিধি:
টঙ্গী বাজারের ফুটপাতকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত একটি সংবাদে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও অসম্পূর্ণ তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন মোঃ শামীম খান। মোঃ শামীম খান বলেন, টঙ্গী বাজারের ফুটপাত নিয়ে প্রকাশিত সংবাদে প্রকৃত পরিস্থিতি যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। সংবাদ প্রকাশের আগে ঘটনাস্থলের প্রকৃত পরিস্থিতি যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া উচিত ছিল বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন থেকে বাজার ইজারা নিয়েছেন মো. ইসমাইল শিকদার (বসু)। আমি এখানকার একক মালিক নই। এই বাজারটি মোট ৮ জন পার্টনার নিয়ে পরিচালিত হয়। তাদের মধ্যে আমি বাজারটি দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছি। অথচ আমাকে এই বাজারের ইজারাদার বানিয়ে ভুয়া নিউজ করা হয়েছে, যা মিথ্যা ও বানোয়াট।
তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া মিথ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা অনাকাঙ্ক্ষিত। এ ধরনের সংবাদে প্রকৃত ঘটনা আড়ালে থেকে যায় এবং সাধারণ মানুষের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকে। তাই ভবিষ্যতে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এদিকে টঙ্গী বাজারের বাজার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মো. ইসমাইল শিকদার (বসু) জানান, টঙ্গী বাজারের ফুটপাত গাজীপুর সিটি করপোরেশন থেকে ইজারা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই ইজারার সঙ্গে ক্যাসেট শামীমের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। প্রকাশিত সংবাদে মোঃ শামীম খানকে জড়িয়ে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
মোঃ শামীম খান প্রকাশিত সংবাদের প্রকৃত তথ্য যাচাই করে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে জনসম্মুখে সঠিক তথ্য তুলে ধরার দাবি জানান। একই সঙ্গে টঙ্গী বাজারের ফুটপাতের বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। তবে এ বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।