Deprecated: Function WP_Dependencies->add_data() was called with an argument that is deprecated since version 6.9.0! IE conditional comments are ignored by all supported browsers. in /home/u102988081/domains/dailyswadhinsangbad.com/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
টাঙ্গাইলে সরকারি ওষুধ জব্দের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ও মূল অপরাধীদের বাঁচাতে পিক-আপ চালক আজমতের বিরুদ্ধে চুরির মামলা - দৈনিক স্বাধীন সংবাদ

টাঙ্গাইলে সরকারি ওষুধ জব্দের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ও মূল অপরাধীদের বাঁচাতে পিক-আপ চালক আজমতের বিরুদ্ধে চুরির মামলা

মোঃ মশিউর রহমান, টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক পিকআপভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় চালককে হাতেনাতে আটক করে স্থানীয়রা। এই কেলেঙ্কারির ঘটনা ধামাচাপা দিতে ও মূল অপরাধীদের বাঁচাতে পিক-আপ চালক আজমতের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) দিবাগত রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আবু নয়িম মোহাম্মদ সোহেল বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। শুক্রবার (২৮ আগষ্ট)  দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এদিকে মূল অপরাধীদের ধরাছোঁয়ার বাইরে রেখে পিক-আপ চালক আজমতের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে শ্রমিকরা। শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়সিংহ সড়কের ঘাটাইল খাদ্যগুদামের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে তারা। ঘন্টা ব্যাপী বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ শেষে মিছিল সহকারে হাসপাতালে মিলিত হয় শ্রমিকরা। এসময় তারা পিক-আপ চালকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি দাবি করেন। বাস মালিক সমিতির ঘাটাইল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মুকুল বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের লোকজন পিক-আপটি ভাড়া নিয়েছে। হাসপাতালের কিছু অসাধু লোক সরকারি ওষুধ জনসাধারণকে না দিয়ে মজুদ রেখে মেয়াদোত্তীর্ণ করেছে। পরে সে ওষুধ তারা নদীতে ফেলে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলো। এখানে চালকের কোন দোষ নেই। চালক কেন জেলে থাকবে, জেলে থাকবে মূল অভিযুক্তরা। চালকের মুক্তি দাবি করেন তিনি। ওষুধ কেলেঙ্কারিতে জড়িত প্রধান অভিযুক্তরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। সাধারণ মানুষ বলছে ড্রাইভার একজন শ্রমিক মাত্র তিনি পেটের দায়ে গাড়ি চালান। তাকে কেন এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। বড় বড় রাঘব বোয়াল রেখে চুনোপুঁটিকে দায় দিয়ে এই ঘটনা দামাচাপা দেয়া যাবে না। সকল মেহনতি মানুষকে, প্রতিবাদী জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হব। অসাধু কর্মকর্তা হাসপাতালের যারা তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। ড্রাইভারকে ফ্রন্ট লাইনে এনে আসল চোরদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। এবিষয়ে গোপালপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফৌজিয়া হাবিব খান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামীকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৬ আগষ্ট) দিবাগত মধ্য রাতে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পিক-আপ ভর্তি সরকারী ওষুধ ভূঞাপুরের যমুনা নদীতে ফেলার সময় জনতার হাতে আটক হয়। পরে চালককে আটক করে পিক-আপসহ ওষুধ থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *